4:59 pm, Saturday, 25 July 2026

শেখ হাসিনার পিয়নের সিন্ডিকেটের বিতর্কিত ব্যক্তিরাই (প্রেস মালিক) ২০২৭ শিক্ষা বর্ষের বই মুদ্রণ কাজ নিয়ন্ত্রণের ফলে প্রায় ৪০০ কোটির বেশি খরচ হবে

উল্লেখ্য এনসিটি’র বড়পুত্র নামে ক্ষেত অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু নাছের টুকু ইতিমধ্যে সদস্য পাঠ্যপুস্তক হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান। নিম্নমানের কাগজে বই সরবরাহে নোয়াখালী চৌমুহনীর নিজ এলাকার অগ্রনী প্রিন্টার্স এর মালিক রুবেলকে সহযোগিতার অভিযোগ আছে এবং রুবেলের অর্থায়নেই টুকু সদস্য পাঠ্যপুস্তক হয়েছেন। ইতিমধ্যে আহ্বানকৃত প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ইবতেদায়ী টেন্ডার ২৪ ও ২৫ জুন ২০২৬ উন্মুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও পিছিয়ে ০২/০৭/২৬ইং তারিখ করা হয় এবং ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণীর দরপত্র জমার তারিখ ৫ জুলাই ২০২৬ইং করা হয়েছে। জাহাঙ্গীর সিন্ডিকেট সদস্য টুকুর নিজ এলাকা ফেনির বাসিন্দা, অগ্রনী প্রিন্টার্সের মালিক রুবেলের অনুরোধেই উক্ত দরপত্র পিছানো হয়। যাতে সমঝোতার ভিত্তিতে টেন্ডার করা যায়। সকল প্রিন্টার্সরা যাতে রুবেলের নির্দেশ মত এক সাথে মিলেমিশে টেন্ডারে অংশগ্রহন করে সেই জন্য টুকু নিয়ামক ভূমিকা রাখেন। সাথে সহযোগি হিসাবে এনসিটিবি’র বিতরন নিয়ন্ত্রক মতিউর রহমান পাঠান দায়িত্ব পালন করেন।
উক্ত টেন্ডার বারবার পিছিয়ে এমনভাবে টেন্ডার তারিখ নির্ধারণ করেছেন যাতে সাধারণ প্রিন্টার্সগুলো রুবেল সিন্ডিকেট এর বাহিরে যাইতে না পারে এবং টুকু ও মতিউর রহমান পাঠান সাধারণ প্রিন্টার্সকে মিলেমিশে টেন্ডার করার জন্য উৎসাহিত করেন এবং এতে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণীর টেন্ডারেই প্রায় ২০০ কোটি টাকা বেশি দরপত্র জমা পরছে।
উল্লেখ্য গত ১৮/০৩/২০২৬ তারিখে টিচার্স গাইড ৪ কালার বইয়ের দরপত্রে মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২.৫০ টাকা ফর্মা।
আর ০২/০৭/২৬ তারিখের প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণীর দরপত্র রেট পরেছে ফর্মাপ্রতি ৩.৫৮ টাকা যাহা গত ১৮/০৩/২০২৬ ইং তারিখের টেন্ডার থেকে ৩০০ কোটি টাকা বেশি। অভিযোগ আছে টুকু পাঠান সিন্ডিকেট এর সহযোগিতায় শেখ হাসিনার পিয়ন জাহাঙ্গীর এর পার্টনার অগ্রনী প্রেসের মালিক রুবেল বিভিন্ন প্রেস মালিকদের থেকে চিঠি নিয়ে জমা দেন এবং এস্টিমেট দর বৃদ্ধির আবেদন করে। প্রশ্ন হল প্রেসি মালিকগন এস্টিমেটেট দর জানলেন কিভাবে। এই ক্ষেত্রে টুকু, পাঠান সহযোগিতা করেন। যার ফলে সরকারের প্রাক প্রাথমিক, প্রাথমিক, ৬ষ্ঠ ও ৯ম-১০ম পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হবে প্রায় ৩শত ৫০ কোটি টাকা বেশি। এই টাকা টুকু, পাঠান, রুবেলের হাত হয়ে সরকারের উপর মহল পর্যন্ত যাবে বলে
আলোচনা আছে এবং উক্ত টাকার জন্য প্রেস মালিকদের থেকে ১০ লক্ষ রিম কাগজ কেটে রেখে বন্টন করা হয়েছে। উক্ত ১০ লক্ষ রিম কাগজ অগ্রনী, কর্নফুলি, প্রমা, ব্রাইট প্রেসের মালিকগন ভাগ করে প্রিন্ট করে টাকা উঠিয়ে টুকু, রুবেলকে দিবেন। রুবেল তাহা বিভিন্ন মহলে বিতরন করবেন বলে শোনা যাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কক্সবাজার বাস টার্মিনালে পুলিশের অভিযানে ২৮ হাজার ইয়াবাসহ সাবেক ল্যান্স কর্পোরাল আটক

শেখ হাসিনার পিয়নের সিন্ডিকেটের বিতর্কিত ব্যক্তিরাই (প্রেস মালিক) ২০২৭ শিক্ষা বর্ষের বই মুদ্রণ কাজ নিয়ন্ত্রণের ফলে প্রায় ৪০০ কোটির বেশি খরচ হবে

Update Time : 10:00:37 pm, Thursday, 2 July 2026

উল্লেখ্য এনসিটি’র বড়পুত্র নামে ক্ষেত অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু নাছের টুকু ইতিমধ্যে সদস্য পাঠ্যপুস্তক হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান। নিম্নমানের কাগজে বই সরবরাহে নোয়াখালী চৌমুহনীর নিজ এলাকার অগ্রনী প্রিন্টার্স এর মালিক রুবেলকে সহযোগিতার অভিযোগ আছে এবং রুবেলের অর্থায়নেই টুকু সদস্য পাঠ্যপুস্তক হয়েছেন। ইতিমধ্যে আহ্বানকৃত প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ইবতেদায়ী টেন্ডার ২৪ ও ২৫ জুন ২০২৬ উন্মুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও পিছিয়ে ০২/০৭/২৬ইং তারিখ করা হয় এবং ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণীর দরপত্র জমার তারিখ ৫ জুলাই ২০২৬ইং করা হয়েছে। জাহাঙ্গীর সিন্ডিকেট সদস্য টুকুর নিজ এলাকা ফেনির বাসিন্দা, অগ্রনী প্রিন্টার্সের মালিক রুবেলের অনুরোধেই উক্ত দরপত্র পিছানো হয়। যাতে সমঝোতার ভিত্তিতে টেন্ডার করা যায়। সকল প্রিন্টার্সরা যাতে রুবেলের নির্দেশ মত এক সাথে মিলেমিশে টেন্ডারে অংশগ্রহন করে সেই জন্য টুকু নিয়ামক ভূমিকা রাখেন। সাথে সহযোগি হিসাবে এনসিটিবি’র বিতরন নিয়ন্ত্রক মতিউর রহমান পাঠান দায়িত্ব পালন করেন।
উক্ত টেন্ডার বারবার পিছিয়ে এমনভাবে টেন্ডার তারিখ নির্ধারণ করেছেন যাতে সাধারণ প্রিন্টার্সগুলো রুবেল সিন্ডিকেট এর বাহিরে যাইতে না পারে এবং টুকু ও মতিউর রহমান পাঠান সাধারণ প্রিন্টার্সকে মিলেমিশে টেন্ডার করার জন্য উৎসাহিত করেন এবং এতে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণীর টেন্ডারেই প্রায় ২০০ কোটি টাকা বেশি দরপত্র জমা পরছে।
উল্লেখ্য গত ১৮/০৩/২০২৬ তারিখে টিচার্স গাইড ৪ কালার বইয়ের দরপত্রে মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২.৫০ টাকা ফর্মা।
আর ০২/০৭/২৬ তারিখের প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণীর দরপত্র রেট পরেছে ফর্মাপ্রতি ৩.৫৮ টাকা যাহা গত ১৮/০৩/২০২৬ ইং তারিখের টেন্ডার থেকে ৩০০ কোটি টাকা বেশি। অভিযোগ আছে টুকু পাঠান সিন্ডিকেট এর সহযোগিতায় শেখ হাসিনার পিয়ন জাহাঙ্গীর এর পার্টনার অগ্রনী প্রেসের মালিক রুবেল বিভিন্ন প্রেস মালিকদের থেকে চিঠি নিয়ে জমা দেন এবং এস্টিমেট দর বৃদ্ধির আবেদন করে। প্রশ্ন হল প্রেসি মালিকগন এস্টিমেটেট দর জানলেন কিভাবে। এই ক্ষেত্রে টুকু, পাঠান সহযোগিতা করেন। যার ফলে সরকারের প্রাক প্রাথমিক, প্রাথমিক, ৬ষ্ঠ ও ৯ম-১০ম পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হবে প্রায় ৩শত ৫০ কোটি টাকা বেশি। এই টাকা টুকু, পাঠান, রুবেলের হাত হয়ে সরকারের উপর মহল পর্যন্ত যাবে বলে
আলোচনা আছে এবং উক্ত টাকার জন্য প্রেস মালিকদের থেকে ১০ লক্ষ রিম কাগজ কেটে রেখে বন্টন করা হয়েছে। উক্ত ১০ লক্ষ রিম কাগজ অগ্রনী, কর্নফুলি, প্রমা, ব্রাইট প্রেসের মালিকগন ভাগ করে প্রিন্ট করে টাকা উঠিয়ে টুকু, রুবেলকে দিবেন। রুবেল তাহা বিভিন্ন মহলে বিতরন করবেন বলে শোনা যাচ্ছে।