1:35 pm, Saturday, 12 September 2026

গোপালগঞ্জ বিআরটিএ-তে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ: লাইসেন্স, ফিটনেস ও রুটপারমিটে চরম হয়রানির শিকার সেবাগ্রহীতারা

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) গোপালগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি:) (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। লাইসেন্স প্রদান, গাড়ির ফিটনেস এবং রুটপারমিট শাখা জিম্মি করে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং চরম হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
​ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপালগঞ্জ বিআরটিএ অফিসে দীর্ঘদিন ধরে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পেয়েছে। লাইসেন্স নবায়ন, নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স, মোটরযানের ফিটনেস এবং নতুন রুটপারমিট প্রাপ্তির জন্য নির্ধারিত সরকারি ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত টাকা প্রদান না করলে নানা অজুহাতে ফাইল আটকে রাখা হয়। সহকারী পরিচালক মো. হাবিবুর রহমানের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ আশ্রয়ে এসব অনিয়ম দিন দিন বেড়েই চলেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
​ভুক্তভোগী এক চালক ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, “গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষার জন্য বিআরটিএ কার্যালয়ে গেলে নানা ত্রুটির কথা বলে অযথা সময় নষ্ট করা হয়। অথচ অতিরিক্ত টাকা দিলে সব কাগজ ঠিকঠাক হয়ে যায়।”
​এছাড়া, ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে লাইসেন্স শাখার বিরুদ্ধে। রুটপারমিট সংক্রান্ত ফাইল অনুমোদনের ক্ষেত্রেও দীর্ঘদিন ধরে ফাইল ঝুলিয়ে রেখে হয়রানি করার অভিযোগ করেন পরিবহন মালিকরা।
​সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এবং বিআরটিএ অফিসের এই দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল। এ বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী পরিচালক মো. হাবিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

আশুলিয়ায় ‘মমতা স্বেচ্ছায় রক্তদান ফাউন্ডেশন’-এর শুভ উদ্বোধন

গোপালগঞ্জ বিআরটিএ-তে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ: লাইসেন্স, ফিটনেস ও রুটপারমিটে চরম হয়রানির শিকার সেবাগ্রহীতারা

Update Time : 11:50:37 pm, Saturday, 29 August 2026

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) গোপালগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি:) (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। লাইসেন্স প্রদান, গাড়ির ফিটনেস এবং রুটপারমিট শাখা জিম্মি করে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং চরম হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
​ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপালগঞ্জ বিআরটিএ অফিসে দীর্ঘদিন ধরে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পেয়েছে। লাইসেন্স নবায়ন, নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স, মোটরযানের ফিটনেস এবং নতুন রুটপারমিট প্রাপ্তির জন্য নির্ধারিত সরকারি ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত টাকা প্রদান না করলে নানা অজুহাতে ফাইল আটকে রাখা হয়। সহকারী পরিচালক মো. হাবিবুর রহমানের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ আশ্রয়ে এসব অনিয়ম দিন দিন বেড়েই চলেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
​ভুক্তভোগী এক চালক ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, “গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষার জন্য বিআরটিএ কার্যালয়ে গেলে নানা ত্রুটির কথা বলে অযথা সময় নষ্ট করা হয়। অথচ অতিরিক্ত টাকা দিলে সব কাগজ ঠিকঠাক হয়ে যায়।”
​এছাড়া, ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে লাইসেন্স শাখার বিরুদ্ধে। রুটপারমিট সংক্রান্ত ফাইল অনুমোদনের ক্ষেত্রেও দীর্ঘদিন ধরে ফাইল ঝুলিয়ে রেখে হয়রানি করার অভিযোগ করেন পরিবহন মালিকরা।
​সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এবং বিআরটিএ অফিসের এই দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল। এ বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী পরিচালক মো. হাবিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।