5:13 pm, Saturday, 12 September 2026

বিদ্যাময়ী স্কুলের অভিভাবক ছাউনির নিচে পড়ে ছিলেন এক মানসিক প্রতিবন্ধী অসহায় নারী।

279

দীর্ঘদিন অবহেলা আর অযত্নে তার পায়ে পোকা বাসা বেঁধেছিল। হৃদয়বিদারক সেই দৃশ্য চোখে পড়তেই মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেন এই নগরের কিছু মানবিক মানুষ।

কিছুক্ষণ আগেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভদ্রলোক বিষয়টি তুলে ধরেন। এরপর রাত গভীর হলেও থেমে থাকেননি মানবিক মানুষগুলো। রাত ১টায় এম্বুলেন্সে করে সেই অজ্ঞাত অসহায় নারীকে নিয়ে যাওয়া হয় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

এই মানবিক কাজে কেউ দিয়েছেন এম্বুলেন্স, কেউ দিয়েছেন অর্থ সহায়তা, আবার কেউ ছুটে এসেছেন শুধুমাত্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর তাগিদে। ফেইসবুকে পোস্ট দেখেই এক নারী তার স্বামী ও ছোট্ট সন্তানকে নিয়ে এসে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। অসংখ্য মানুষ এগিয়ে এসেছেন নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী।

বিদ্যাময়ী স্কুলের সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় প্রথম বিষয়টি নজরে আনেন Delwar Hossain। এরপর তার ছোট ভাই ও সহযোদ্ধারাও যুক্ত হন এই মানবিক উদ্যোগে।

আজও পৃথিবীটা টিকে আছে কিছু ভালো মানুষের জন্য। মানুষের পাশে মানুষই দাঁড়ায়, মানুষের সহায় সম্বল কেবল মানুষই। আমরা সবাই যদি নিজের অবস্থান থেকে একটু মানবিক হই, তাহলে হয়তো বেঁচে যাবে আরও অনেক অসহায় প্রাণ, ফিরে পাবে নতুন জীবনের আশার আলো।

মানবিকতার এই দৃষ্টান্ত সমাজের প্রতিটি মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যাক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

আশুলিয়ায় ‘মমতা স্বেচ্ছায় রক্তদান ফাউন্ডেশন’-এর শুভ উদ্বোধন

বিদ্যাময়ী স্কুলের অভিভাবক ছাউনির নিচে পড়ে ছিলেন এক মানসিক প্রতিবন্ধী অসহায় নারী।

Update Time : 10:37:22 am, Saturday, 9 May 2026
279

দীর্ঘদিন অবহেলা আর অযত্নে তার পায়ে পোকা বাসা বেঁধেছিল। হৃদয়বিদারক সেই দৃশ্য চোখে পড়তেই মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেন এই নগরের কিছু মানবিক মানুষ।

কিছুক্ষণ আগেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভদ্রলোক বিষয়টি তুলে ধরেন। এরপর রাত গভীর হলেও থেমে থাকেননি মানবিক মানুষগুলো। রাত ১টায় এম্বুলেন্সে করে সেই অজ্ঞাত অসহায় নারীকে নিয়ে যাওয়া হয় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

এই মানবিক কাজে কেউ দিয়েছেন এম্বুলেন্স, কেউ দিয়েছেন অর্থ সহায়তা, আবার কেউ ছুটে এসেছেন শুধুমাত্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর তাগিদে। ফেইসবুকে পোস্ট দেখেই এক নারী তার স্বামী ও ছোট্ট সন্তানকে নিয়ে এসে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। অসংখ্য মানুষ এগিয়ে এসেছেন নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী।

বিদ্যাময়ী স্কুলের সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় প্রথম বিষয়টি নজরে আনেন Delwar Hossain। এরপর তার ছোট ভাই ও সহযোদ্ধারাও যুক্ত হন এই মানবিক উদ্যোগে।

আজও পৃথিবীটা টিকে আছে কিছু ভালো মানুষের জন্য। মানুষের পাশে মানুষই দাঁড়ায়, মানুষের সহায় সম্বল কেবল মানুষই। আমরা সবাই যদি নিজের অবস্থান থেকে একটু মানবিক হই, তাহলে হয়তো বেঁচে যাবে আরও অনেক অসহায় প্রাণ, ফিরে পাবে নতুন জীবনের আশার আলো।

মানবিকতার এই দৃষ্টান্ত সমাজের প্রতিটি মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যাক।