
আজকের দুটি ঘটনায় তাজ্জব বনে গেলাম। দুটিই ভযঙ্কর অপতথ্য। আর দুটিরই দায় দুই-একটি গণমাধ্যমের। কিন্তু, এর সামগ্রিক প্রভাবের আঁচড় লেগেছে পুরো গণমাধ্যমেই।
(১). বর্তমান সরকারের ছয় মাসের অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় বেসরকারি সংস্থা সিপিডি সোমবার বলেছে, ‘এই ছয় মাসে দেশে ৯৫টি শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এসময়ে কাজ হারিয়েছেন প্রায় ৬২ হাজার শ্রমিক’।
সিপিডি বলায় গণমাধ্যম স্বাভাবিকভাবেই এটিকে লুপে নিয়ে বড় বড় শিরোনাম করেছে। কিন্তু, আজ দেখা গেল এই তথ্যটি ভুয়া। একটি দৈনিকের জালিয়াতির ‘রিপোর্ট’ এর উপর ভিত্তি করে এবং কোনো যাচাই না করেই নিজেদের পর্যালোচনা প্রতিবেদনে সেটি তুলে দিয়েছে সিপিডি।
সিপিডি নিজেই আজ সঠিক তথ্য বিস্তারিত তুলে ধরে দুঃখ প্রকাশ করেছে। এই ঘটনা সিপিডির মতো প্রতিষ্ঠানের পর্যালোচনা কিংবা গবেষণার মান, গভীরতা ও সত্যতা নিয়ে বড় প্রশ্ন খাড়া করেছে।
(২). সন্ধ্যার পর একাধিক অনলাইন নিউজপোর্টালের প্রধান শিরোনাম ছিল- রংপুরে এক পরিবারের চারজন খৃনের ঘটনায় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুরুতে যে কেউ বিশ্বাস করে ফেলবেন। সাধারণ মানুষ তো এটিকে শতভাগ সত্য তথ্য হিসেবেই ধরে নেবেন।
অথচ এটিও ভুয়া। গত ১২ আগস্ট আবদুল মাবুদকে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি করা হয়েছে। দু-একদিনের মধ্যে তিনি সেই নতুন দায়িত্বে যাচ্ছেন। অথচ, খবর করা হলো তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আচ্ছা, এটি প্রকাশের আগে চেক করার কোনো প্রযোজনীয়তা অনুভব করলেন না কেন গেট কিপাররা?
একটু আগে আমি কথা বললাম আবদুল মাবুদের সঙ্গে। ভদ্রলোক হাসলেন। কোনো মন্তব্য করলেন না। বুঝলাম এধরনের সাংবাদিকতা নিয়ে তার চোখ কপালে।
শামসুদ্দিন আহমেদ চিপ রিপোর্টার 























