
মারুফা, পিতাঃ মৃত আব্দুল লতিফ শরিফ, সাং মরিচবুনিয়া, উপজেলা ও জেলাঃ পটুয়াখালী। মারুফা জানায় আমার স্বামী মোঃ নাসির একজন অর্থলোভি। বিয়ের পর থেকেই আমার কাছে বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ দাবি করে। আমি তাকে একবার লোন করে ৪৫,০০০/- টাকা দেই। কিন্তু সে আবার আমার কাছে যৌতুক হিসেবে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। আমি টাকা দিতে না পারায় আমাকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে। আমি কোন উপায় না পেয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞ আদালতে একটি যৌতুক মামলা দায়ের করি (সিআর-৪৩/২৬)। এতে আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে আমার মায়ের বাড়ি থেকে দোকানে কিছু কিনে দেওয়ার কথা বলে আমার তিন বছরের শিশু কন্যাকে নিয়ে যায়। আমি তখন বাড়িতে ছিলাম না। আমাদের বাড়ির ও এলাকার লোকজন দেখতে পায়। আমি জানার পর আমার মেয়ের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে বিজ্ঞ আদালতে ১০০ ধারায় মামলা করা হয় (MP-24/26)। কিন্তু দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হলেও আমি কোন প্রকার সহযোগিতা ও মেয়ের সাথে আজও যোগাযোগ করতে পারিনাই। তিনি আরোও বলেন, আমারা গরিব মানুষ আমাদের টাকা-পয়সা নেই। আমি এলাকায় গন্য-মান্য মানুষের কাছে গিয়ে কোন সহযোগিতা পাইনি। আমার কন্যা সন্তানের জীবনের অনিষ্ট সংঙ্খায় দুশ্চিন্তায় সময় পার করছি। আমি জানিনা আমার মেয়ে কোথায় আছে, কিভাবে আছে। আমার স্বামী মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আমাকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখায়।
আমি প্রসাশন এর একান্ত সহোযোগিতা চাই।
আমার স্বামী ঠিকানাঃ মোঃ নাসির, পিতাঃ আব্দুল আজিজ প্যাদা, গ্রামঃ কালিবাড়ী, থানাঃ আমতলী, জেলাঃ বরগুনা।
তার নামে পটুয়াখালী বিজ্ঞ আদালতে দুইটি মামলা রয়েছে এবং একটি মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধঃ মোঃ ইকবাল হোসেন সোহেল 

















