
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি দেশের প্রকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদা। সারা বিশ্ব যে নদীকে নিয়ে গবেষণা চলছে। যে নদীর মাছ দেশের সম্পদ,য বিক্রি করে প্রচুর অর্থনৈতিক ভাবে দেশ জাতির কল্যান বয়ে আনছে। সে নদীকে তিলে তিলে ধ্বংস করে দিচ্ছে মাটি খেকোরা ও বালু খেকোরা অথচ দুই দুইটি সরকার হালদাকে রক্ষা করা জন্য অনেক টাকা ব্যয় করেছে। গেজেট প্রকাশ করেছে। হালদার জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ করা যাবে না। তার পর ও বালু খেকো,মাটি খেকোদের থামানো যাচ্ছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ড উন্নয়ন নাম দিয়ে হালদার পার কেটে মাটি নিয়ে যাচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক্সচেঞ্জের মোঃ সোহেল তালুকদারের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন বেড়িবাঁধের কাজ বা নদী ভাঙ্গরোধের জন্য মাটি বা বালু কোথায় থেকে আনবে না আনবে তা আমাদের দেখার বিষয় নয়।আমাদের বেড়িবাঁধ মেরামত বা হালদার ভাঙ্গান রোধ করতে হবে। প্রশাসনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা তো মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে থাকি।অথচ প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতে অন্ধকারে নদীর পার কেটে মাটি বিক্রি হচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তর ও মৎস্য অধিদপ্তর নির্বিকার। কারণ এটাই সরকারি দলের নেতা কর্মীরা কাটছে আমাদের কিছু করার নেই। নারায়নহাট, ভুজপুর পাইন্দং, হারুয়ালছড়ি, সুন্দরপুর, সুয়াবিল, নাজিরহাট পৌরসভার ২/৪/৮/৯ নং ওয়ার্ড, রোসাংগিরী ও সমিতিরহাট ইউনিয়ন এলাকায় এ সব মাটি ও বালু খেকোদের দৌড়াত্ব বেশি। বিশেষ করে নারায়নহাট ভুজপুর, সুন্দরপুর ইউনিয়নের ৮ও ৯ নং ওয়ার্ড, ও নাজিরহাট পৌরসভার ২এবং ৪ প্রতিনিয়তই পার কেটে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। যদি কোনো সংবাদকর্মী নিউজ প্রকাশ করে তা হলে তাকে হুমকি ধমকি বা নানা ভাবে চাপ প্রযোগ করে স্হানীয় নেতা কর্মীরা।সরকারি দলের লোকজন হালদাকে গিলে খাচ্ছে দেখার বা বলার কেউ নেই।
ফটিকছড়ি প্রতিনিধি 

















