11:08 am, Monday, 24 August 2026

রাজাপুরে সরকারি খালের জায়গায় ভবন নির্মাণের অভিযোগ

ঝালকাঠির রাজাপুরে সরকারি খালের জায়গা দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। একাধিকবার নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

উপজেলা সদরের কাঁচাবাজার-সংলগ্ন ব্রিজের উত্তর পাশে মঠবাড়ি ইউনিয়নের মৃত মুজাফফর হাওলাদারের ছেলে মো. আবুল কালাম আজাদের নির্মাণাধীন ভবন ঘিরে এ অভিযোগ উঠেছে। তিনি বর্তমানে বাগড়ি মৃধা বাড়ি এলাকায় বসবাস করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবন নির্মাণের সময় প্রশাসন জমি পরিমাপ করে ভবনের দক্ষিণ পাশের একটি অংশ সরকারি জায়গায় পড়েছে বলে চিহ্নিত করে। পরে ওই অংশের বেলকনি কেটে দেওয়া এবং সরকারি জায়গা ছেড়ে দিতে ছাদ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়।

তবে পরবর্তীতে আবারও সরকারি খালের জায়গায় বেলকনি সম্প্রসারণ, মেঝে ঢালাই, ব্রিজের সঙ্গে সিঁড়ি নির্মাণ ও বেড়া দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি কেটে দেওয়া বেলকনির রড রাতের আঁধারে ওয়েল্ডিং করে জোড়া লাগিয়ে পুনরায় ঢালাই করা হয়েছে বলেও দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’

তবে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমি যে পরিমাণ জায়গা কিনেছি, তার চেয়েও কম জায়গা ভোগদখলে আছি। চলাচলের জন্য সরকারি জায়গায় ইট সলিং করেছি এবং ওঠানামার জন্য সিঁড়ি দিয়েছি।’

রাজাপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামীম রেজা সজিব বলেন, ‘শিগগিরই সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে জায়গাটি পরিমাপ করা হবে। সরকারি খালের জমির মধ্যে চলে আসার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে জনসেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অঙ্গীকার স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

রাজাপুরে সরকারি খালের জায়গায় ভবন নির্মাণের অভিযোগ

Update Time : 01:10:15 pm, Thursday, 20 August 2026

ঝালকাঠির রাজাপুরে সরকারি খালের জায়গা দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। একাধিকবার নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

উপজেলা সদরের কাঁচাবাজার-সংলগ্ন ব্রিজের উত্তর পাশে মঠবাড়ি ইউনিয়নের মৃত মুজাফফর হাওলাদারের ছেলে মো. আবুল কালাম আজাদের নির্মাণাধীন ভবন ঘিরে এ অভিযোগ উঠেছে। তিনি বর্তমানে বাগড়ি মৃধা বাড়ি এলাকায় বসবাস করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবন নির্মাণের সময় প্রশাসন জমি পরিমাপ করে ভবনের দক্ষিণ পাশের একটি অংশ সরকারি জায়গায় পড়েছে বলে চিহ্নিত করে। পরে ওই অংশের বেলকনি কেটে দেওয়া এবং সরকারি জায়গা ছেড়ে দিতে ছাদ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়।

তবে পরবর্তীতে আবারও সরকারি খালের জায়গায় বেলকনি সম্প্রসারণ, মেঝে ঢালাই, ব্রিজের সঙ্গে সিঁড়ি নির্মাণ ও বেড়া দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি কেটে দেওয়া বেলকনির রড রাতের আঁধারে ওয়েল্ডিং করে জোড়া লাগিয়ে পুনরায় ঢালাই করা হয়েছে বলেও দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’

তবে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমি যে পরিমাণ জায়গা কিনেছি, তার চেয়েও কম জায়গা ভোগদখলে আছি। চলাচলের জন্য সরকারি জায়গায় ইট সলিং করেছি এবং ওঠানামার জন্য সিঁড়ি দিয়েছি।’

রাজাপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামীম রেজা সজিব বলেন, ‘শিগগিরই সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে জায়গাটি পরিমাপ করা হবে। সরকারি খালের জমির মধ্যে চলে আসার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’