
বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) খিলক্ষেত সার্কেলের ড্রাইভিং লাইসেন্স শাখায় কর্মরত জিয়াউর রহমান তাঁর মানবিকতা, সততা ও সেবামূলক মনোভাবের মাধ্যমে সেবা প্রত্যাশীদের আস্থা অর্জন করেছেন। সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে আন্তরিক ভূমিকা রাখায় তিনি প্রশংসিত হচ্ছেন বিভিন্ন মহলে।
বিআরটিএ কার্যালয়ে সেবা নিতে আসা অনেকেই জানান, জিয়াউর রহমান সবসময় হাসিমুখে মানুষের কথা শোনেন এবং নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত ও সঠিক সেবা দেওয়ার চেষ্টা করেন। বিশেষ করে বয়স্ক, অসুস্থ ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা সেবা গ্রহীতাদের প্রতি তাঁর সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ মানুষের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে জনসেবার মান উন্নয়নে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন, জিয়াউর রহমান তাঁদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর কর্মদক্ষতা, দায়িত্ববোধ ও মানবিক আচরণ অনেকের কাছেই অনুকরণীয় হয়ে উঠেছে।
খিলক্ষেত সার্কেলের ড্রাইভিং লাইসেন্স শাখার সম্মাননা বোর্ডে তাঁর নাম স্থান পাওয়া তাঁর কর্মনিষ্ঠা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডেরই স্বীকৃতি বলে মনে করছেন সহকর্মীরা। তারা বলেন, জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে তিনি সবসময় আন্তরিক এবং কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবেশ বজায় রাখতে সচেষ্ট।
সেবা প্রত্যাশীরা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও জিয়াউর রহমান একই নিষ্ঠা ও মানবিকতার সঙ্গে কাজ করে জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা ধরে রাখবেন।
জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে চলা জিয়াউর রহমান প্রমাণ করেছেন, আন্তরিকতা ও মানবিক আচরণই একজন প্রকৃত সেবাকর্মীর সবচেয়ে বড় পরিচয়।
লোকমান হোসেন সিনিয়র রিপোর্টার 




















