
ভান্ডারিয়া উপজেলার বাংলাদেশ ডাক বিভাগের আওতার সকল শাখা ডাকঘরে চলছে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট। তিনগুন বেতন ভাতা বৃদ্ধি এবং বিভাগীয় কর্মচারী হিসাবে স্বীকৃতি এই ২ দফা দাবি আদায়ের লক্ষে এই ধর্মঘট পালন করছে সমগ্র বাংলাদেশের ৮৫০০ টি শাখা ডাকঘর। ধর্মঘট পালন উপলক্ষে ভান্ডারিয়া উপজেলা ডাকঘর
সামনে আলোচানা করেন জামাল খান ,শিয়ালকাঠি শাখা পোষ্টা মাস্টার ,খলিলুর রহমান ,মতিউর রহমান মানিক ,আতাউর রহমান ,অনিমেস চন্দ্র মাষ্টারজানা যায়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধিনে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ৮৫০০ টি শাখা ডাকঘরে মোট ২৩০২১ জন কর্মচারী কাজ করছেন। এমন একটা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা কর্মচারীদের দেওয়া হচ্ছে অতি নঘন্য সম্মানি ভাতা। যাহা বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর সকল দেশে সর্ব নিম্ন পদে কর্মরত কর্মচারীদের চেয়েও অতি সামান্য। ঢাকা ডাক বিভাগের সামনে বহুবার আন্দোলন করেও দাবি আদায় হয়নি। এমনকি এবিষয়ে বাংলাদেশ সরকার কোন ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করে নাই। ফলে ৮৫০০ টি শাখা ডাকঘরের মোট ২৩০২১ জন্য কর্মচারী অতি কষ্টে জীবন যাপন করছেন। ভান্ডারিয়া উপজেলার বিভিন্ন শাখা ডাকঘরে ধর্মঘট পালন করতে দেখা গেছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শাখা ডাকঘরের একজন পোষ্ট মাষ্টার বলেন, আমরা ডাক বিভাগের এক্সট্রা ডিপার্টমেন্টার এজেন্ট হিসেবে কাজ করলেও একটা সরকারি ডাকঘরে যে সব কাজ করা হয় একই কাজ আমাদেরও করতে হয়। তবুও ইউনিয়ন পরিষদের একজন গ্রাম পুলিশের বেতনের চেয়েও আমাদের সম্মানি ভাতা কম দেওয়া হচ্ছে। যাহা তুচ্ছ ও নঘন্য।
৬ জুলাই থেকে বাংলাদেশ ডাক কর্মচারী ইউনিয়ন, বাংলাদেশ শাখা ডাকঘর কর্মচারী সমিতি এবং বাংলাদেশ শাখা ডাকঘর কর্মচারী ঐক্য পরিষদের আয়োজনে এই ধর্মঘট দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানান ভান্ডারিয়া উপজেলা নেত্রীবৃন্ধ।
সুমন মল্লিক, পিরোজপুর 






















