3:23 pm, Wednesday, 28 October 2026

ভাণ্ডারিয়ায় বিভিন্ন মামলায় আটক চার আসামিকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় বিভিন্ন মামলায় আটক চার আসামিকে পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশ তাদের আদালতে পাঠায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান।

আদালতে পাঠানো আসামিরা হলেন, মো. রিয়াজ মাহমুদ মিরন (৪৫)। তিনি উপজেলার নদমূলা ইউনিয়নের হেতালিয়া গ্রামের মৃত মো. তোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে এবং জমিজমা সংক্রান্ত মামলার আসামি বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে রিয়াজ মাহমুদ মিরনকে নিয়ে একটি মামলা ও গ্রেপ্তারের ঘটনা সে সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল। যুগান্তর-এর ১১ অক্টোবর ২০১৭ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী তার দুই সন্তানসহ স্বামীর বাড়ির মালামাল নিয়ে ভাণ্ডারিয়ার হেতালিয়া গ্রামে রিয়াজ মাহমুদ মিরনের বাড়িতে গেলে তার স্বামী যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন। পরে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশের সহায়তায় রিয়াজ ও ওই নারীকে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি তৎকালীন ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকদার ও যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক জাকির হোসেন গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছিলেন। একই ঘটনার সংবাদ সে সময় আলোকিত মঠবাড়িয়া অনলাইন পোর্টালেও প্রকাশিত হয়েছিল।

মো. রেজাউল ইসলাম গোমস্তা (৩৩)। তিনি উপজেলার ইকরি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আতরখালী গ্রামের আ. হাকিম গোমস্তার ছেলে। তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে বলে জানা গেছে।

মো. জাকির ফকির (৪৬)। তিনি উপজেলার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর শিয়ালকাঠি এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে। তাকে গত রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভাণ্ডারিয়া থানাধীন মঞ্জু মার্কেট এলাকায় গাঁজাসহ আটক করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) উজ্জ্বল হালদারের সহায়তায় পরিচালিত মোবাইল কোর্টে তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

শামসুল হক বেপারী (৬০)। তিনি উপজেলার ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর ভিটাবাড়িয়া গ্রামের হরমুজ আলী বেপারীর ছেলে। তার বিরুদ্ধেও আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে বলে জানা গেছে।

ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, পুলিশ স্কটের মাধ্যমে আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কেশবপুরে দুঃস্থ, অসহায় ও গৃহহীনদের মাঝে বিশেষ অনুদান প্রদান

ভাণ্ডারিয়ায় বিভিন্ন মামলায় আটক চার আসামিকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ

Update Time : 10:34:40 pm, Monday, 14 September 2026

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় বিভিন্ন মামলায় আটক চার আসামিকে পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশ তাদের আদালতে পাঠায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান।

আদালতে পাঠানো আসামিরা হলেন, মো. রিয়াজ মাহমুদ মিরন (৪৫)। তিনি উপজেলার নদমূলা ইউনিয়নের হেতালিয়া গ্রামের মৃত মো. তোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে এবং জমিজমা সংক্রান্ত মামলার আসামি বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে রিয়াজ মাহমুদ মিরনকে নিয়ে একটি মামলা ও গ্রেপ্তারের ঘটনা সে সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল। যুগান্তর-এর ১১ অক্টোবর ২০১৭ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী তার দুই সন্তানসহ স্বামীর বাড়ির মালামাল নিয়ে ভাণ্ডারিয়ার হেতালিয়া গ্রামে রিয়াজ মাহমুদ মিরনের বাড়িতে গেলে তার স্বামী যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন। পরে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশের সহায়তায় রিয়াজ ও ওই নারীকে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি তৎকালীন ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকদার ও যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক জাকির হোসেন গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছিলেন। একই ঘটনার সংবাদ সে সময় আলোকিত মঠবাড়িয়া অনলাইন পোর্টালেও প্রকাশিত হয়েছিল।

মো. রেজাউল ইসলাম গোমস্তা (৩৩)। তিনি উপজেলার ইকরি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আতরখালী গ্রামের আ. হাকিম গোমস্তার ছেলে। তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে বলে জানা গেছে।

মো. জাকির ফকির (৪৬)। তিনি উপজেলার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর শিয়ালকাঠি এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে। তাকে গত রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভাণ্ডারিয়া থানাধীন মঞ্জু মার্কেট এলাকায় গাঁজাসহ আটক করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) উজ্জ্বল হালদারের সহায়তায় পরিচালিত মোবাইল কোর্টে তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

শামসুল হক বেপারী (৬০)। তিনি উপজেলার ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর ভিটাবাড়িয়া গ্রামের হরমুজ আলী বেপারীর ছেলে। তার বিরুদ্ধেও আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে বলে জানা গেছে।

ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, পুলিশ স্কটের মাধ্যমে আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।