
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার তিস্তা নদীর ভূগর্ভ থেকে কথিত অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনকে কেন্দ্র করে এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারি ও আইনগত নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র পাথর উত্তোলন ও পরিবহন করে আসছে। দ্রুত এ কর্মকাণ্ড বন্ধ করে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৭ নম্বর খালিশা চাপানি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের গরিংয়ের পাড় এলাকায় তিস্তা নদীর তলদেশ ও আশপাশের এলাকা থেকে পাথর উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিদিন বিকেল ৪টার পর পাথর তোলার পাশাপাশি ট্রলি ও অন্যান্য যানবাহনে তা পরিবহন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, এভাবে অবাধে পাথর উত্তোলন চলতে থাকলে নদীর তীর, কৃষিজমি ও স্থানীয় পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। পাশাপাশি অবৈধ উত্তোলনকে কেন্দ্র করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় হয়ে উঠলে ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও অবনতি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, পাথর উত্তোলন ও পরিবহনে বাধা দিতে গেলে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি জানতে চাইলে কয়েকজন ব্যক্তি একজোট হয়ে প্রতিবাদকারীদের প্রতিহত করার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।
স্থানীয়দের প্রশ্ন—প্রশাসনের চোখের সামনে এমন কর্মকাণ্ড কীভাবে চলছে এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে? অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে অবৈধ পাথর উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও কথিত সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসী বলেন, সরকারি নিয়ম-নীতি ও আইন অমান্য করে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। তাই দ্রুত ঘটনাস্থলে প্রশাসনের অভিযান, পাথর উত্তোলন বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।
মোঃ মহিবুল ইসলাম ডিমলা(নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ 






















