
খুলনার পাইকগাছার সোলাদানায় দিনব্যাপী ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা, ছানি অপারেশন ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২১ সেপ্টেম্বর, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় সোলাদানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সোলাদানা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম এনামুল হক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, “বিএনপি মা, মাটি ও মানুষের দল। মানবতার সেবা ও মানুষের কল্যাণে এই দল কাজ করে যাচ্ছে। সুবিধাবঞ্চিত ও দুর্গম এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এই ক্যাম্পের আয়োজন।”
তিনি বলেন, “সাতক্ষীরা গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা দিনব্যাপী প্রায় ২ হাজার রোগীর চোখ পরীক্ষা করবেন। তাদের মধ্যে থেকে ৫০০ জনকে ছানি অপারেশনের জন্য বাছাই করা হবে। বাকিদের ব্যবস্থাপত্র, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমা বিতরণ করা হবে।”
বাপ্পী আরও বলেন, “চোখ মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। অত্র এলাকার সুবিধাবঞ্চিত প্রতিটি মানুষ যেন চোখের সুচিকিৎসা পায়, সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। নির্বাচনের আগের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে হাসপাতাল উন্নয়ন, কলেজ সরকারিকরণ এবং মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, গির্জাসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে বরাদ্দ আনার কাজ চলছে।”
এসময় তিনি প্রতিপক্ষের সমালোচনা করে বলেন, সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য আসা বরাদ্দ নিয়ে অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ক্যাম্পে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. মো. আব্দুল মজিদ, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা রেড ক্রিসেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান কে এম আশরাফুল আলম নান্নু, পৌর বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম ইমদাদুল হকসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
আয়োজকরা জানান, সাতক্ষীরা গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতাল ও মো. আরাফাত হোসেনের সহযোগিতায় বাছাইকৃত রোগীদের বিদেশি লেন্স দিয়ে বিনামূল্যে ছানি অপারেশন, এক মাসের ওষুধ, চশমা এবং যাতায়াত ও থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ক্যাম্প শেষে বাপ্পী সোলাদানা ইউনিয়নের প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভা করেন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে অত্যাধুনিক ভবন নির্মাণের আশ্বাস দেন।
এস এম নূর ইসলাম, পাইকগাছা (খুলনা) 
























