12:11 pm, Wednesday, 28 October 2026

নাসির উদ্দীন মন্টুকে স্মরণ ও শ্রদ্ধা-১১ বছরেও মুছে যায়নি প্রিয় সংগঠকের স্মৃতি

স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন মন্টু মুন্সির মৃত্যুবার্ষিকীতে সহযোদ্ধা-স্বজনদের আবেগঘন স্মরণ

২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর থেমে গিয়েছিল একটি কর্মমুখর জীবনের পথচলা। দেখতে দেখতে কেটে গেছে ১১ বছর। কিন্তু সময়ের ব্যবধানেও স্মৃতির পাতা থেকে মুছে যায়নি ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রাজনৈতিক সংগঠক নাসির উদ্দীন মন্টু মুন্সির নাম।

আজ ২৩ সেপ্টেম্বর তাঁর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও বেদনায় তাঁকে স্মরণ করছেন পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

রাজনৈতিক জীবনে নাসির উদ্দীন মন্টু মুন্সি সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচি, রাজপথের আন্দোলন এবং মানুষের অধিকার আদায়ের নানা কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ছিলেন। সহযোদ্ধাদের স্মৃতিতে তিনি ছিলেন সহজ-সরল, কর্মীবান্ধব এবং সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় একজন মানুষ। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সহকর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করতেন তিনি।

রাজপথের সহযোদ্ধাদের স্মৃতিতে অমলিন

ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা সহকর্মীদের কাছে আজও স্মরণীয়। তাঁর সঙ্গে রাজপথে পথচলা সহযোদ্ধাদের কাছে কর্মময় জীবনের নানা ঘটনা ও স্মৃতি এখনও আবেগের সঙ্গে উচ্চারিত হয়।

নাসির উদ্দীন মন্টুর মৃত্যু শুধু রাজনৈতিক সহকর্মীদের জন্য নয়, তাঁর পরিবার ও স্বজনদের জন্যও ছিল গভীর শোকের ঘটনা। বড় ভাইকে হারানোর বেদনা আজও পরিবারের সদস্যদের হৃদয়ে অমলিন।

‘ভাই ছিলেন পরিবারের নির্ভরতার জায়গা’

ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তাঁর বোন মিতু আক্তার। পরিবারের সদস্যদের কাছে নাসির উদ্দীন মন্টু ছিলেন শুধু একজন ভাই নন—ছিলেন আপনজনদের নির্ভরতার জায়গা এবং পরিবারের একজন অভিভাবকসুলভ সদস্য।

শেষ বিদায়ের সেই বেদনাবিধুর মুহূর্তে স্বজনদের অশ্রু ও সহযোদ্ধাদের আবেগঘন উপস্থিতি তাঁর সঙ্গে মানুষের গভীর সম্পর্কের স্মৃতি বহন করে।

‘মায়ের ডাক’-এর সঙ্গে পরিবারের সম্পৃক্ততা

নাসির উদ্দীন মন্টুর পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ‘মায়ের ডাক’-এর সম্পৃক্ততার কথাও উঠে এসেছে। তাঁর বোন মিতু আক্তার সংগঠনটির বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত থেকেছেন এবং স্বজন হারানো পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রেখেছেন।

নিখোঁজ ও স্বজন হারানো পরিবারগুলোর ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও সত্য উদঘাটনের দাবিতে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তাঁর অংশগ্রহণ ছিল। ভাইয়ের স্মৃতিচারণের সময় তাঁর কণ্ঠে উঠে আসে প্রিয়জন হারানোর বেদনা ও স্মৃতি।

—

━━━ স্মৃতির পাতায় নাসির উদ্দীন মন্টু ━━━

মৃত্যু: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫
মৃত্যুবার্ষিকী: ১১তম
পরিচয়: ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
স্মরণে: পরিবার, স্বজন, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা

—

‘মায়ের ডাক’-এর শ্রদ্ধা

নাসির উদ্দীন মন্টু মুন্সির ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ‘মায়ের ডাক’-এর পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধা ও স্মরণ জানানো হয়েছে। তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।

মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা
চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতি

স্মৃতি মুছে যায় না

২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তাঁর জীবনাবসান হলেও ১১ বছর পরও সহযোদ্ধা ও স্বজনদের স্মৃতিতে তিনি অমলিন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সহযোদ্ধাদের প্রতি আন্তরিকতা এবং পরিবারের প্রতি ভালোবাসার স্মৃতি তাঁকে কাছ থেকে দেখা মানুষের মনে আজও জীবন্ত করে রেখেছে।

সময় পেরিয়ে যায়, মানুষ চলে যায়—কিন্তু ভালোবাসা, সম্পর্ক ও স্মৃতির কিছু অধ্যায় কখনো পুরোনো হয় না। নাসির উদ্দীন মন্টু মুন্সির স্মৃতিও তেমনি সহযোদ্ধা ও স্বজনদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কেশবপুরে দুঃস্থ, অসহায় ও গৃহহীনদের মাঝে বিশেষ অনুদান প্রদান

নাসির উদ্দীন মন্টুকে স্মরণ ও শ্রদ্ধা-১১ বছরেও মুছে যায়নি প্রিয় সংগঠকের স্মৃতি

Update Time : 01:31:36 pm, Wednesday, 23 September 2026

স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন মন্টু মুন্সির মৃত্যুবার্ষিকীতে সহযোদ্ধা-স্বজনদের আবেগঘন স্মরণ

২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর থেমে গিয়েছিল একটি কর্মমুখর জীবনের পথচলা। দেখতে দেখতে কেটে গেছে ১১ বছর। কিন্তু সময়ের ব্যবধানেও স্মৃতির পাতা থেকে মুছে যায়নি ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রাজনৈতিক সংগঠক নাসির উদ্দীন মন্টু মুন্সির নাম।

আজ ২৩ সেপ্টেম্বর তাঁর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও বেদনায় তাঁকে স্মরণ করছেন পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

রাজনৈতিক জীবনে নাসির উদ্দীন মন্টু মুন্সি সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচি, রাজপথের আন্দোলন এবং মানুষের অধিকার আদায়ের নানা কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ছিলেন। সহযোদ্ধাদের স্মৃতিতে তিনি ছিলেন সহজ-সরল, কর্মীবান্ধব এবং সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় একজন মানুষ। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সহকর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করতেন তিনি।

রাজপথের সহযোদ্ধাদের স্মৃতিতে অমলিন

ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা সহকর্মীদের কাছে আজও স্মরণীয়। তাঁর সঙ্গে রাজপথে পথচলা সহযোদ্ধাদের কাছে কর্মময় জীবনের নানা ঘটনা ও স্মৃতি এখনও আবেগের সঙ্গে উচ্চারিত হয়।

নাসির উদ্দীন মন্টুর মৃত্যু শুধু রাজনৈতিক সহকর্মীদের জন্য নয়, তাঁর পরিবার ও স্বজনদের জন্যও ছিল গভীর শোকের ঘটনা। বড় ভাইকে হারানোর বেদনা আজও পরিবারের সদস্যদের হৃদয়ে অমলিন।

‘ভাই ছিলেন পরিবারের নির্ভরতার জায়গা’

ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তাঁর বোন মিতু আক্তার। পরিবারের সদস্যদের কাছে নাসির উদ্দীন মন্টু ছিলেন শুধু একজন ভাই নন—ছিলেন আপনজনদের নির্ভরতার জায়গা এবং পরিবারের একজন অভিভাবকসুলভ সদস্য।

শেষ বিদায়ের সেই বেদনাবিধুর মুহূর্তে স্বজনদের অশ্রু ও সহযোদ্ধাদের আবেগঘন উপস্থিতি তাঁর সঙ্গে মানুষের গভীর সম্পর্কের স্মৃতি বহন করে।

‘মায়ের ডাক’-এর সঙ্গে পরিবারের সম্পৃক্ততা

নাসির উদ্দীন মন্টুর পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ‘মায়ের ডাক’-এর সম্পৃক্ততার কথাও উঠে এসেছে। তাঁর বোন মিতু আক্তার সংগঠনটির বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত থেকেছেন এবং স্বজন হারানো পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রেখেছেন।

নিখোঁজ ও স্বজন হারানো পরিবারগুলোর ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও সত্য উদঘাটনের দাবিতে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তাঁর অংশগ্রহণ ছিল। ভাইয়ের স্মৃতিচারণের সময় তাঁর কণ্ঠে উঠে আসে প্রিয়জন হারানোর বেদনা ও স্মৃতি।

—

━━━ স্মৃতির পাতায় নাসির উদ্দীন মন্টু ━━━

মৃত্যু: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫
মৃত্যুবার্ষিকী: ১১তম
পরিচয়: ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
স্মরণে: পরিবার, স্বজন, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা

—

‘মায়ের ডাক’-এর শ্রদ্ধা

নাসির উদ্দীন মন্টু মুন্সির ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ‘মায়ের ডাক’-এর পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধা ও স্মরণ জানানো হয়েছে। তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।

মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা
চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতি

স্মৃতি মুছে যায় না

২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তাঁর জীবনাবসান হলেও ১১ বছর পরও সহযোদ্ধা ও স্বজনদের স্মৃতিতে তিনি অমলিন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সহযোদ্ধাদের প্রতি আন্তরিকতা এবং পরিবারের প্রতি ভালোবাসার স্মৃতি তাঁকে কাছ থেকে দেখা মানুষের মনে আজও জীবন্ত করে রেখেছে।

সময় পেরিয়ে যায়, মানুষ চলে যায়—কিন্তু ভালোবাসা, সম্পর্ক ও স্মৃতির কিছু অধ্যায় কখনো পুরোনো হয় না। নাসির উদ্দীন মন্টু মুন্সির স্মৃতিও তেমনি সহযোদ্ধা ও স্বজনদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে।