4:15 pm, Wednesday, 28 October 2026

জুলাই আন্দোলনে ছাত্র জনতার বুকে গুলি চালানো কৃষক লীগ নেতা শেখ ইয়াকুব আলী ইমনের বিরুদ্ধে ফের রাজনৈতিক তৎপরতা ও মানবাধিকার সদস্য কার্ড বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ

কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের লিংক রোড মহরীপাড়া এলাকায় সদর উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি শেখ ইয়াকুব আলী ইমনের বিরুদ্ধে আবারও রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর বর্তমানে একটি মানবাধিকার সংগঠনের পরিচয় ও কার্ড ব্যবহার করে এলাকায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শেখ ইয়াকুব আলী ইমনের বিরুদ্ধে বিএনপি, জামায়াতসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন মামলায় হয়রানি এবং রাজনৈতিকভাবে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ ছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মামলার নথি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
অভিযোগ রয়েছে, ছাত্র আন্দোলনের সময় ৫ আগস্ট কক্সবাজার-৩ আসনের তৎকালীন আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমলসহ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে অবস্থান করে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায়ও তার সম্পৃক্ততা ছিল। এ অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মামলা, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথি যাচাই করা প্রয়োজন।
ছাত্র আন্দোলনের পরপরই তিনি কক্সবাজার থেকে আত্মগোপনে চলে যান বলে স্থানীয়রা দাবি করেন। বর্তমানে তিনি এলাকায় ফিরে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থা সংগঠনের পরিচয় ব্যবহার করে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় আড়াল করার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, তিনি গোপনে বিভিন্ন বৈঠক ও মিছিলের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পুনরায় সংগঠিত করার চেষ্টা করছেন। সম্প্রতি এলাকায় আওয়ামী লীগের একটি কমিটি গঠনের পেছনেও তার ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, মানবাধিকার সংগঠনের পরিচয় ব্যবহার করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হলে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কেশবপুরে দুঃস্থ, অসহায় ও গৃহহীনদের মাঝে বিশেষ অনুদান প্রদান

জুলাই আন্দোলনে ছাত্র জনতার বুকে গুলি চালানো কৃষক লীগ নেতা শেখ ইয়াকুব আলী ইমনের বিরুদ্ধে ফের রাজনৈতিক তৎপরতা ও মানবাধিকার সদস্য কার্ড বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ

Update Time : 04:22:49 pm, Tuesday, 15 September 2026

কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের লিংক রোড মহরীপাড়া এলাকায় সদর উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি শেখ ইয়াকুব আলী ইমনের বিরুদ্ধে আবারও রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর বর্তমানে একটি মানবাধিকার সংগঠনের পরিচয় ও কার্ড ব্যবহার করে এলাকায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শেখ ইয়াকুব আলী ইমনের বিরুদ্ধে বিএনপি, জামায়াতসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন মামলায় হয়রানি এবং রাজনৈতিকভাবে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ ছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মামলার নথি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
অভিযোগ রয়েছে, ছাত্র আন্দোলনের সময় ৫ আগস্ট কক্সবাজার-৩ আসনের তৎকালীন আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমলসহ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে অবস্থান করে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায়ও তার সম্পৃক্ততা ছিল। এ অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মামলা, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথি যাচাই করা প্রয়োজন।
ছাত্র আন্দোলনের পরপরই তিনি কক্সবাজার থেকে আত্মগোপনে চলে যান বলে স্থানীয়রা দাবি করেন। বর্তমানে তিনি এলাকায় ফিরে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থা সংগঠনের পরিচয় ব্যবহার করে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় আড়াল করার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, তিনি গোপনে বিভিন্ন বৈঠক ও মিছিলের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পুনরায় সংগঠিত করার চেষ্টা করছেন। সম্প্রতি এলাকায় আওয়ামী লীগের একটি কমিটি গঠনের পেছনেও তার ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, মানবাধিকার সংগঠনের পরিচয় ব্যবহার করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হলে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন