
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার দৌলতপুর এলাকায় দুই দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে পাঁচজন ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং ১৪ জন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার সন্ধ্যায় দৌলতপুর এলাকায় একটি পাগলা কুকুর হঠাৎ পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপর আক্রমণ চালায়। এ সময় শিশুসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পরদিন মঙ্গলবারও একই কুকুরের আক্রমণে আরও বেশ কয়েকজন আহত হন। এক দিনের ব্যবধানে মোট ১৯ জন কুকুরের কামড়ের শিকার হন।
আহতদের মধ্যে মমতাজ বেগম (৩৫), মো. রাশেদ (৪০), মো. সেলিম (৫২), মো. ওসমান (৪৫) ও রিমা আক্তার (২৪)-এর নাম জানা গেছে। তাঁরা সবাই নাজিরহাট পৌরসভার দৌলতপুর এলাকার বাসিন্দা। অন্য আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, কুকুরটি আচমকা মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এলোপাতাড়িভাবে কামড়াতে শুরু করে। এতে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরাও রেহাই পাননি। আহতদের স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
দৌলতপুর এলাকার বাসিন্দা হাসানুল করিম বলেন, “দুই দিন ধরে এলাকায় দুটি কুকুর অস্বাভাবিক আচরণ করছিল। কুকুরগুলোর আক্রমণে ১৪ থেকে ১৫ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। কয়েকজন এখনো চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কুকুর দুটি মেরে ফেলেন।”
ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. কামরুল হাসান বলেন, “গত দুই দিনে নারী ও শিশুসহ মোট ১৯ জন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। সবাই নাজিরহাট পৌরসভার দৌলতপুর এলাকার বাসিন্দা।
আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও জলাতঙ্ক প্রতিরোধে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”
ফটিকছড়ির প্রতিনিধি 




















