
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা সুন্দরপুর ইউনিয়নের পাচঁপুকুরিয়া গ্রামের নির্ভীক কলম সৈনিক
পিপলস ভিউ, দৈনিক বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সুপ্রভাত বাংলাদেশ পত্রিকার সাবেক সহ সম্পাদক অপর্ণা খাস্তগীর একেবারে নিরবে চলে গেলেন।
তিনি গত ১৭ মে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করলেও সাংবাদিক মহল খবরটি জানতে পারে অনেক বিলম্বে।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকলে ক্লাবের অন্যতম সিনিয়র সদস্য বিয়োগের খবরটি সবার মুঠোফোনে সেদিনই পৌঁছে যেত শোকবার্তা হয়ে। অবরুদ্ধ তিনি যে সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য সেই চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নও। ফলে অপর্ণা দি’র মৃত্যুর খবরটি স্বাভাবিক নিয়মে তাঁর সতীর্থ সাংবাদিক মহলে পৌঁছেনি। তাঁর বিদায় বেলায় তিনি শেষ শ্রদ্ধাটুকুও পাননি। বুঝে নেন এ দায় কার?
অপর্ণা খাস্তগীরের জন্ম ফটিকছড়ি উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের পাঁচপুকুরিয়া গ্রামে। তাঁর বাবা ডা: মনীন্দ্র লাল খাস্তগীর ছিলেন নগরীর চন্দনপুরা এলাকার নামকরা চিকিৎসক এবং বিচিত্রা ফার্মেসির মালিক। ব্যক্তি জীবনে অবিবাহিত অপর্ণা দি থাকতেন তাঁর বোনের সাথে, আসকার দীঘি এলাকায়।
অপর্ণা খাস্তগীর ১৯৯১ সালে সাংবাদিকতা পেশা শুরু করেন। তিনি ২০১৪ সালে নারী সাংবাদিক হিসেবে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সম্মাননা লাভ করেন। তিনি চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সুপ্রভাত বাংলাদেশ ইউনিটের ডেপুটি ইনউনিট প্রধান ছিলেন।
নুরুল আবছার নূরী 











