
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা পবিত্র ঈদুল আজহা( কোরবানির) দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বেচাকিনার জমে উঠেছে। ফটিকছড়ি উপজেলা বাগানবাজার, চিকনছড়া বাজার দাতঁমারা, নারায়নহাট, ভুজপুর কাজিরহাট,বৃন্দাবনহাট,
চামারদিঘী,বিবিরহাট বাজার, নাজিরহাট বাজার,নানুপুর বাজার (কালু মুন্সীরহাট),দৌলতমুন্সীরহাট,বক্তপুর শান্তির হাট, আজাদী বাজার, মোহাম্মদ তকিরহাট(মাত্তিরহাট)সহ স্হায়ী ও অস্থায়ী মোট ৪২ টি বাজারে ঈদুল আজহা (কোরবানির) পশু বেচা কিনা হয়।
প্রতি বছরের ন্যায় ফটিকছড়ি উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল কর্তৃক সুস্থ সবল পশু বাজারে ক্রয়- বিক্রয় করা জন্য এবং কোনো পশু হঠাৎ অসুস্থ হলে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ৭টি মেডিকেল টিমে প্রায় ৩২জনের সেবক বিভিন্ন বাজারে তাদের সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন বলে জানান।উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আবদুল মমিন ও ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ জাহাঙ্গীর মাহমুদ রাকিব সার্বক্ষণিক তদারকি করবেন জানান।
ফটিকছড়ি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আবদুল মমিন দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশকে জানান এই বছর কোরবানি জন্য ৬৯৪৭৮টি পশু প্রস্ত্ত রয়েছে তমমধ্যে গরু সংখ্যা ৪৩৯৭৪ টি।ষাঁড় -৩০১৬৩টি,বলদ-৯৯৬৯টি,গাভী -৩৮৪২টি।মহিষের সংখ্যা ৪১৮৮টি।ছাগলের সংখ্যা ১৮৮৩২টি।ভেড়ার সংখ্যা ২৪৮৪ টি।তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন অন্যান্য বছর তুলনায় এই বছর একটু বেশি।
নুরুল আবছার নূরী 










