12:50 am, Monday, 26 October 2026

বৃহত্তর পাঁজিয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে দায়িত্ব পালনকারী ১৬ জন পেলেন স্মারক সম্মাননা

কেশবপুর ঐতিহ্যবাহী পাঁজিয়া ইউনিয়নের বৃহত্তর পাঁজিয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির কমিটির আয়োজনে ৮০তম দুর্গোৎসবে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে (চলমান মন্দির ছাড়া) দায়িত্ব পালনকারী ১৬ জন সভাপতি, সম্পাদক ও পুরোহিতকে স্মারক সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর-২৬) ৮০ তম সারদোৎসবের মহানবমী পূজা শেষে রাত ৯ টায় বৃহত্তর পাঁজিয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির প্রাঙ্গনে বর্তমান মন্দির কমিটির সভাপতি শম্ভুনাথ বসু-এর সভাপতিত্বে ও সহ-সম্পাদক মানব মণ্ডল-এর সঞ্চালনায় স্মারক সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন, বর্তমান সভাপতি শম্ভুনাথ বসু। আলোচনা করেন, সহ-সভাপতি প্রদীপ ব্যানার্জী, সহকারী অধ্যাপক তাপস মজুমদার প্রমুখ। স্মৃতিচারণ করে আরো বক্তব্য রাখেন, দীপক মজুমদার ও প্রদীপ ব্যানার্জী।
এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পূজা মন্দিরের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক দীপক মজুমদার, প্রভাত হালদার, উত্তম চক্রবর্ত্তী, বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক সত্যজিৎ চক্রবর্ত্তী, সহ-সভাপতি প্রদীপ ব্যানার্জীসহ কমিটির নেতৃবৃন্দ। আলোচনা শেষে উৎসবমুখর পরিবেশে ১৪ জন সভাপতি-সম্পাদকসহ ২ জন পুরোহিতকেও স্মারক সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
দীর্ঘ ৮০ বছরে যাঁরা সভাপতি ও সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং স্মারক সম্মাননাপ্রাপ্ত হয়েছেন যেসকল গুণিজনরা হলেন, গোপাল চন্দ্র, ঘোষ ( মরণোত্তর) কালীপদ ব্যানার্জী (মরণোত্তর), নারায়ণ দে (মরণোত্তর), দীপক মজুমদার, জগদীশ ঘোষ (মরণোত্তর), চৈতন্য মণ্ডল, সুবোল দেবনাথ, প্রণব চৌধুরী কাজল (মরণোত্তর), সমীর দাস, শম্ভুনাথ, গনেশ কর্মকার, তাপস দে, দীপক কবিরত্ন, ও তাপস মজুমদার। পুরোহিতের স্মারক সম্মাননা গ্রহণ করেন সাধন চক্রবর্ত্তী (মরণোত্তর) ও শিশির লাহেড়ি কনক (মরণোত্তর)। আশি বছর পর এমন একটা অনুষ্ঠান করায় বৃহত্তর পাঁজিয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরের বর্তমান কমিটি প্রশংসার দাবিদার।
প্রয়াত জগদীশ ঘোষ-এর ছেলে শিক্ষক উজ্জ্বল ঘোষ জানান, “তার পিতাকে মরনোত্তর সম্মান প্রদান করায় মন্দির কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, আমার পিতা জগদীশ ঘোষ স্কুল জীবন থেকে এই মন্দিরের জন্য নিবেদিত প্রাণ একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। প্রথমে এস এস সি পাশের পরে বাবু রবি কুমার সরকার তাকে সহ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। ৮০ বছরের এই মন্দিরে ১০ বার সহ- সম্পাদক এবং রবিবাবু দেশ ত্যাগ করার পর ১৯ বার সম্পাদক, ৪ বার সহ-সভাপতি ও ৮ বছর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এমন একজন ব্যক্তির সন্তান হিসাবে তিনি নিজেকে ধন্য মনে করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ঈশ্বরদীতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জমি দখলের চেষ্টা

বৃহত্তর পাঁজিয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে দায়িত্ব পালনকারী ১৬ জন পেলেন স্মারক সম্মাননা

Update Time : 04:19:57 pm, Wednesday, 21 October 2026

কেশবপুর ঐতিহ্যবাহী পাঁজিয়া ইউনিয়নের বৃহত্তর পাঁজিয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির কমিটির আয়োজনে ৮০তম দুর্গোৎসবে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে (চলমান মন্দির ছাড়া) দায়িত্ব পালনকারী ১৬ জন সভাপতি, সম্পাদক ও পুরোহিতকে স্মারক সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর-২৬) ৮০ তম সারদোৎসবের মহানবমী পূজা শেষে রাত ৯ টায় বৃহত্তর পাঁজিয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির প্রাঙ্গনে বর্তমান মন্দির কমিটির সভাপতি শম্ভুনাথ বসু-এর সভাপতিত্বে ও সহ-সম্পাদক মানব মণ্ডল-এর সঞ্চালনায় স্মারক সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন, বর্তমান সভাপতি শম্ভুনাথ বসু। আলোচনা করেন, সহ-সভাপতি প্রদীপ ব্যানার্জী, সহকারী অধ্যাপক তাপস মজুমদার প্রমুখ। স্মৃতিচারণ করে আরো বক্তব্য রাখেন, দীপক মজুমদার ও প্রদীপ ব্যানার্জী।
এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পূজা মন্দিরের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক দীপক মজুমদার, প্রভাত হালদার, উত্তম চক্রবর্ত্তী, বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক সত্যজিৎ চক্রবর্ত্তী, সহ-সভাপতি প্রদীপ ব্যানার্জীসহ কমিটির নেতৃবৃন্দ। আলোচনা শেষে উৎসবমুখর পরিবেশে ১৪ জন সভাপতি-সম্পাদকসহ ২ জন পুরোহিতকেও স্মারক সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
দীর্ঘ ৮০ বছরে যাঁরা সভাপতি ও সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং স্মারক সম্মাননাপ্রাপ্ত হয়েছেন যেসকল গুণিজনরা হলেন, গোপাল চন্দ্র, ঘোষ ( মরণোত্তর) কালীপদ ব্যানার্জী (মরণোত্তর), নারায়ণ দে (মরণোত্তর), দীপক মজুমদার, জগদীশ ঘোষ (মরণোত্তর), চৈতন্য মণ্ডল, সুবোল দেবনাথ, প্রণব চৌধুরী কাজল (মরণোত্তর), সমীর দাস, শম্ভুনাথ, গনেশ কর্মকার, তাপস দে, দীপক কবিরত্ন, ও তাপস মজুমদার। পুরোহিতের স্মারক সম্মাননা গ্রহণ করেন সাধন চক্রবর্ত্তী (মরণোত্তর) ও শিশির লাহেড়ি কনক (মরণোত্তর)। আশি বছর পর এমন একটা অনুষ্ঠান করায় বৃহত্তর পাঁজিয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরের বর্তমান কমিটি প্রশংসার দাবিদার।
প্রয়াত জগদীশ ঘোষ-এর ছেলে শিক্ষক উজ্জ্বল ঘোষ জানান, “তার পিতাকে মরনোত্তর সম্মান প্রদান করায় মন্দির কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, আমার পিতা জগদীশ ঘোষ স্কুল জীবন থেকে এই মন্দিরের জন্য নিবেদিত প্রাণ একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। প্রথমে এস এস সি পাশের পরে বাবু রবি কুমার সরকার তাকে সহ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। ৮০ বছরের এই মন্দিরে ১০ বার সহ- সম্পাদক এবং রবিবাবু দেশ ত্যাগ করার পর ১৯ বার সম্পাদক, ৪ বার সহ-সভাপতি ও ৮ বছর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এমন একজন ব্যক্তির সন্তান হিসাবে তিনি নিজেকে ধন্য মনে করেন।