3:21 pm, Wednesday, 28 October 2026

সাতকানিয়ার কেঁওচিয়ায় বাড়িঘরের চলাচলের পাঁকা রাস্তা ভাংচুর ও মহিলাকে মারধর, আহত-২।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ১০নং কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের নন্দী পাড়ায় পুলিশ টিলায় পুলিশ কনস্টেবল অংকন কান্তি দাশ ও সাবেক সেনা সদস্য কাঞ্চন কান্তি দাশের নেতৃত্বে বাড়িঘরে চলাচলের পাকা রাস্তা খুড়ে ভাংচুর করেছে এবং বাড়িতে আসা মেহমানকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। এতে শেলী রানী চৌধুরী ও নিলু রানী দাশ নামের ২মহিলা আহত হয়।এবং শেলী রানী চৌধুরীর হাতে থাকা মোবাইল ফোনও কেড়ে নিয়ে যায়।
২১সেপ্টেম্বর সোমবার বিকালে ও ২৩সেপ্টেম্বর বুধবার বিকালে রাস্তা ভাংচুর ও মারধরের ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা যায়।
এব্যাপারে কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের নন্দী পাড়ার পুলিশ টিলার অঞ্জন দাশ বাদী হয়ে একই এলাকার পুলিশ কনস্টেবল অংকন কান্তি দাশ, ঝুলন দাশ, সাবেক সেনা সদস্য কাঞ্চন দাশ, মিশু কান্তি দাশ ও সুজন দাশের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৫/৬জন আসামী দেখিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা জানা যায়,
অঞ্জন দাশ দীর্ঘ ৩৫বছর ধরে ১০শতক জায়গা চলাচলের রাস্তাসহ খরিদ করিয়া পাকা রাস্তা নির্মাণ করিয়া শান্তিপূর্ন ভাবে
বসবাস করিয়া আসিতেছে।উল্লেখিত আসামীগণ খরিদা ও চলাচলের রাস্তা জোর পূর্বক জবর দখল করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করিয়া আসিতেছে। ইতিপূর্বে আসামীগন পাকা চলাচলের রাস্তা কয়েকবার ভাংচুর করিয়া আর্থিক ভাবে ক্ষতি সাধন করে। যার পরিমাণ আনুমানিক ৫লক্ষ টাকা হবে বলে বাদী অঞ্জন দাশ জানান। উক্ত জায়গা সম্পত্তির বিষয়ে স্থানীয় গন্যমান্য
ব্যক্তিবর্গের মধ্যস্থতায় কয়েকবার শালিস বিচার হইলেও আসামীগণ স্থানীয় কোন শালিস বিচার মানে না।২১সেপ্টেম্বর সোমবার রাস্তাটি অংকন কান্তি দাশ ও কাঞ্চন দাশের নেতৃত্বে আসামীরা ভেঙ্গে দিলে ২২সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার উক্ত চলাচলের রাস্তাটি অঞ্জন দাশ পুনরায় সংস্কার করে। ২৩সেপ্টেম্বর বুধবার বিকাল অনুমান ৫ঘটিকার সময় বিবাদীগনসহ অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা হাতে, লাঠি, লোহার রড, ইত্যাদি নিম্না সজ্জিত হইয়া পুনরায় চলাচলের রাস্তাটি আবারো ভাঙ্গিয়া
ফেলে। ঐ সময় অঞ্জন দাশের বোন সেলী রানী চৌধুরী, লিলু রানী দাশ বিবাদীদেরকে বাধা প্রদান করিলে বিবাদীগন ক্ষিপ্ত হইয়া অঞ্জন দাশের বোনদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে। অঞ্জন দাশের বোনরা গালিগালাজ
করিতে বারণ করিলে বিবাদীগন অঞ্জন দাশের বোনদেরকে এলোপাতাড়ি ভাবে লাখি, কিল, ঘুষি মারিয়া আমার
বোনদের শরীরের বিভিন্ন অংশে বেদনাদায়ক ফুলা জখম করে।এসময় নিলু রানী দাশের মাথা ফেটে
যায়।ঐ সময় ১নং বিবাদী অংকন কান্তি দাশ অঞ্জন দাশের বোন সেলী রানী দাশের হাতে থাকা এনড্রয়েট মোবাইল সেট কেড়ে নিয়ে যায়।যার মূল্য অনুমান বিশ হাজার টাকা । পরবর্তীতে অঞ্জন দাশ পুলিশের জরুরী সেবা ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার পূর্বেই বিবাদীগন ঘটনাস্থল
হইতে চলিয়া যায়।

এব্যাপারে অভিযুক্ত ঝুলন কান্তি দাশের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন- এধরণের কোন ঘটনা হয়নি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে জানান।
এব্যাপারে সাতকানিয়া থানার অফিসার ইঞ্চার্জ (ওসি) আব্দুল আলিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি বাহিরে আছি বিষয়টি সম্পর্কে জানিনা।বিষয়টি দেখে এবং জেনে বলতে হবে বলে জানান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কেশবপুরে দুঃস্থ, অসহায় ও গৃহহীনদের মাঝে বিশেষ অনুদান প্রদান

সাতকানিয়ার কেঁওচিয়ায় বাড়িঘরের চলাচলের পাঁকা রাস্তা ভাংচুর ও মহিলাকে মারধর, আহত-২।

Update Time : 07:43:11 am, Monday, 28 September 2026

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ১০নং কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের নন্দী পাড়ায় পুলিশ টিলায় পুলিশ কনস্টেবল অংকন কান্তি দাশ ও সাবেক সেনা সদস্য কাঞ্চন কান্তি দাশের নেতৃত্বে বাড়িঘরে চলাচলের পাকা রাস্তা খুড়ে ভাংচুর করেছে এবং বাড়িতে আসা মেহমানকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। এতে শেলী রানী চৌধুরী ও নিলু রানী দাশ নামের ২মহিলা আহত হয়।এবং শেলী রানী চৌধুরীর হাতে থাকা মোবাইল ফোনও কেড়ে নিয়ে যায়।
২১সেপ্টেম্বর সোমবার বিকালে ও ২৩সেপ্টেম্বর বুধবার বিকালে রাস্তা ভাংচুর ও মারধরের ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা যায়।
এব্যাপারে কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের নন্দী পাড়ার পুলিশ টিলার অঞ্জন দাশ বাদী হয়ে একই এলাকার পুলিশ কনস্টেবল অংকন কান্তি দাশ, ঝুলন দাশ, সাবেক সেনা সদস্য কাঞ্চন দাশ, মিশু কান্তি দাশ ও সুজন দাশের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৫/৬জন আসামী দেখিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা জানা যায়,
অঞ্জন দাশ দীর্ঘ ৩৫বছর ধরে ১০শতক জায়গা চলাচলের রাস্তাসহ খরিদ করিয়া পাকা রাস্তা নির্মাণ করিয়া শান্তিপূর্ন ভাবে
বসবাস করিয়া আসিতেছে।উল্লেখিত আসামীগণ খরিদা ও চলাচলের রাস্তা জোর পূর্বক জবর দখল করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করিয়া আসিতেছে। ইতিপূর্বে আসামীগন পাকা চলাচলের রাস্তা কয়েকবার ভাংচুর করিয়া আর্থিক ভাবে ক্ষতি সাধন করে। যার পরিমাণ আনুমানিক ৫লক্ষ টাকা হবে বলে বাদী অঞ্জন দাশ জানান। উক্ত জায়গা সম্পত্তির বিষয়ে স্থানীয় গন্যমান্য
ব্যক্তিবর্গের মধ্যস্থতায় কয়েকবার শালিস বিচার হইলেও আসামীগণ স্থানীয় কোন শালিস বিচার মানে না।২১সেপ্টেম্বর সোমবার রাস্তাটি অংকন কান্তি দাশ ও কাঞ্চন দাশের নেতৃত্বে আসামীরা ভেঙ্গে দিলে ২২সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার উক্ত চলাচলের রাস্তাটি অঞ্জন দাশ পুনরায় সংস্কার করে। ২৩সেপ্টেম্বর বুধবার বিকাল অনুমান ৫ঘটিকার সময় বিবাদীগনসহ অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা হাতে, লাঠি, লোহার রড, ইত্যাদি নিম্না সজ্জিত হইয়া পুনরায় চলাচলের রাস্তাটি আবারো ভাঙ্গিয়া
ফেলে। ঐ সময় অঞ্জন দাশের বোন সেলী রানী চৌধুরী, লিলু রানী দাশ বিবাদীদেরকে বাধা প্রদান করিলে বিবাদীগন ক্ষিপ্ত হইয়া অঞ্জন দাশের বোনদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে। অঞ্জন দাশের বোনরা গালিগালাজ
করিতে বারণ করিলে বিবাদীগন অঞ্জন দাশের বোনদেরকে এলোপাতাড়ি ভাবে লাখি, কিল, ঘুষি মারিয়া আমার
বোনদের শরীরের বিভিন্ন অংশে বেদনাদায়ক ফুলা জখম করে।এসময় নিলু রানী দাশের মাথা ফেটে
যায়।ঐ সময় ১নং বিবাদী অংকন কান্তি দাশ অঞ্জন দাশের বোন সেলী রানী দাশের হাতে থাকা এনড্রয়েট মোবাইল সেট কেড়ে নিয়ে যায়।যার মূল্য অনুমান বিশ হাজার টাকা । পরবর্তীতে অঞ্জন দাশ পুলিশের জরুরী সেবা ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার পূর্বেই বিবাদীগন ঘটনাস্থল
হইতে চলিয়া যায়।

এব্যাপারে অভিযুক্ত ঝুলন কান্তি দাশের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন- এধরণের কোন ঘটনা হয়নি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে জানান।
এব্যাপারে সাতকানিয়া থানার অফিসার ইঞ্চার্জ (ওসি) আব্দুল আলিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি বাহিরে আছি বিষয়টি সম্পর্কে জানিনা।বিষয়টি দেখে এবং জেনে বলতে হবে বলে জানান।