5:14 pm, Wednesday, 28 October 2026

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের পায়তারা ভান্ডারিয়া উপজেলাধীন ধাওয়া বাজারে অবস্থিত ” বাদল মেমোরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে শকুনের চোখ। প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা

পিরোজপুর জেলাধীন ভান্ডারিয়া উপজেলার ধওয়া বাজারে উন্নত শিক্ষা ব্যবস্হার লক্ষ্যে এলাকার সামাজিক ও বিদ্যোতসাহী জনগন ” বাদল মেমোরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ” প্রতিষ্ঠা করে। ভবন নির্মাণে অর্থায়ন করেন এলাকার সামাজিক ব্যক্তিত্ব ভান্ডারিয়া ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি জনাব রফিকুল ইসলাম সম্রাট। সে কারনে এলাকাবাসি সর্বসম্মতিক্রমে প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে তার নাম নির্বাচন করে। উক্ত স্কুল প্রতিষ্ঠায় যাদের বিশেষ অবদান তাদের মধ্যে কাজী শওকতুল আলম ( সাক্কা কাজী), মাহবুবুর রহমান খান, কাজী জাফর আহমেদ, শাজাহান কাজী, নান্না হাওলাদার, ফারুক হাওলাদার, মোশারেফ হোসেন তালুকদার ( চুন্নু তালুকদার), শওকত সরদার, কাওছার ম্যলকার, ফুল মিয়া সরদার, চান মিয়া ( মেম্বার), মনির কাজীর নেতৃত্বে ততকালীন পুরো একচল্লিশা গ্রুপ প্রমুখ এর নাম উল্লেখযোগ্য।২০০৫ সালে ততকালীন সংসদ সদস্য জনাব আনোয়ার হোসেন মন্জু, কয়েকজন সচিব ও এলাকার পাচ সহস্রাধিক লোক নিয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠান উদ্ভোদন করেন। সেই থেকে মাসুম বিল্লাহ ( ধাওয়া ইউনিয়ন যুব দল এর সভাপতি ) এর পরিচালনায় স্কুল টি অত্যন্ত সুনামের সাথে চলে আসছে। বিশেষজ্ঞ মতামত স্কুলটির শিক্ষার মান বিবেচনায় উপজেলার মধ্যে শীর্ষ স্হানে রয়েছে। স্কুলের উন্নয়নে বর্তমান মন্ত্রী মহোদয় ও তার সাধ্যমত আর্থিক বরাদ্দ দিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি আবু বকর এর নেতৃত্বে একটি কুচক্রী মহল স্কুলটি ধ্বংসের পায়তারা করছে।স্কুলের ছাত্র, ছাত্রী, শিক্ষক, শিক্ষিকা সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে নানা ভাবে হেনেস্তা করছে। এই সন্ত্রাসী গ্রুপের পিছনে কিছু ইন্দন দাতাও আছে যারা মাসুম বিল্লাহ এর এই সফলতায় ঈর্ষান্বিত। সম্প্রতি এই গ্রুপটি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও তার স্ত্রী ছেলে মেয়ের নামে ভুমি অপরাধ আইনে মামলা দিয়েছে। মামলার বাদী আলমগীরের ওখানে ১ ইন্চি ভুমির ও মালিকানা নেই। ২০০৫ সালের পুর্বে ভুমি খানি ভোগ দখলে ছিলো স্হানীয় আবদুল হামেদ সরদারের পুত্র গন খোকন সরদার, কামরুল সরদার, আসলাম সরদার গং যারা প্রতিষ্ঠাতার কাছ থেকে জমির পরিবর্তে জমি ও নগদ টাকা নিয়ে স্কুল প্রতিষ্ঠায় সহোযোগিতা করেছে। বর্তমানে যারা ডিস্টার্ব করছে তখন তারাও স্কুল প্রতিষ্ঠায় সহোযোগিতা করেছে। বি এস রেকর্ড চলাকালীন সেটেলমেন্ট অফিসে সর্বসম্মতিক্রমে স্কুলের নামে রেকর্ড ও দিয়েছে।২১ বছর স্কুলটি চলছে কেউ কোন দিন একটা জিডিও করেনি। হঠাৎ কার ইন্দনে এহেন আচরন তাহা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট মহল ও এলাকার গন্যমান্য বেক্তিবর্গের খতিয়ে দেখে আইন অনুযায়ী ব্যবস্হা নেয়া প্রয়োজন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কেশবপুরে দুঃস্থ, অসহায় ও গৃহহীনদের মাঝে বিশেষ অনুদান প্রদান

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের পায়তারা ভান্ডারিয়া উপজেলাধীন ধাওয়া বাজারে অবস্থিত ” বাদল মেমোরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে শকুনের চোখ। প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা

Update Time : 03:08:23 pm, Sunday, 27 September 2026

পিরোজপুর জেলাধীন ভান্ডারিয়া উপজেলার ধওয়া বাজারে উন্নত শিক্ষা ব্যবস্হার লক্ষ্যে এলাকার সামাজিক ও বিদ্যোতসাহী জনগন ” বাদল মেমোরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ” প্রতিষ্ঠা করে। ভবন নির্মাণে অর্থায়ন করেন এলাকার সামাজিক ব্যক্তিত্ব ভান্ডারিয়া ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি জনাব রফিকুল ইসলাম সম্রাট। সে কারনে এলাকাবাসি সর্বসম্মতিক্রমে প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে তার নাম নির্বাচন করে। উক্ত স্কুল প্রতিষ্ঠায় যাদের বিশেষ অবদান তাদের মধ্যে কাজী শওকতুল আলম ( সাক্কা কাজী), মাহবুবুর রহমান খান, কাজী জাফর আহমেদ, শাজাহান কাজী, নান্না হাওলাদার, ফারুক হাওলাদার, মোশারেফ হোসেন তালুকদার ( চুন্নু তালুকদার), শওকত সরদার, কাওছার ম্যলকার, ফুল মিয়া সরদার, চান মিয়া ( মেম্বার), মনির কাজীর নেতৃত্বে ততকালীন পুরো একচল্লিশা গ্রুপ প্রমুখ এর নাম উল্লেখযোগ্য।২০০৫ সালে ততকালীন সংসদ সদস্য জনাব আনোয়ার হোসেন মন্জু, কয়েকজন সচিব ও এলাকার পাচ সহস্রাধিক লোক নিয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠান উদ্ভোদন করেন। সেই থেকে মাসুম বিল্লাহ ( ধাওয়া ইউনিয়ন যুব দল এর সভাপতি ) এর পরিচালনায় স্কুল টি অত্যন্ত সুনামের সাথে চলে আসছে। বিশেষজ্ঞ মতামত স্কুলটির শিক্ষার মান বিবেচনায় উপজেলার মধ্যে শীর্ষ স্হানে রয়েছে। স্কুলের উন্নয়নে বর্তমান মন্ত্রী মহোদয় ও তার সাধ্যমত আর্থিক বরাদ্দ দিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি আবু বকর এর নেতৃত্বে একটি কুচক্রী মহল স্কুলটি ধ্বংসের পায়তারা করছে।স্কুলের ছাত্র, ছাত্রী, শিক্ষক, শিক্ষিকা সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে নানা ভাবে হেনেস্তা করছে। এই সন্ত্রাসী গ্রুপের পিছনে কিছু ইন্দন দাতাও আছে যারা মাসুম বিল্লাহ এর এই সফলতায় ঈর্ষান্বিত। সম্প্রতি এই গ্রুপটি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও তার স্ত্রী ছেলে মেয়ের নামে ভুমি অপরাধ আইনে মামলা দিয়েছে। মামলার বাদী আলমগীরের ওখানে ১ ইন্চি ভুমির ও মালিকানা নেই। ২০০৫ সালের পুর্বে ভুমি খানি ভোগ দখলে ছিলো স্হানীয় আবদুল হামেদ সরদারের পুত্র গন খোকন সরদার, কামরুল সরদার, আসলাম সরদার গং যারা প্রতিষ্ঠাতার কাছ থেকে জমির পরিবর্তে জমি ও নগদ টাকা নিয়ে স্কুল প্রতিষ্ঠায় সহোযোগিতা করেছে। বর্তমানে যারা ডিস্টার্ব করছে তখন তারাও স্কুল প্রতিষ্ঠায় সহোযোগিতা করেছে। বি এস রেকর্ড চলাকালীন সেটেলমেন্ট অফিসে সর্বসম্মতিক্রমে স্কুলের নামে রেকর্ড ও দিয়েছে।২১ বছর স্কুলটি চলছে কেউ কোন দিন একটা জিডিও করেনি। হঠাৎ কার ইন্দনে এহেন আচরন তাহা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট মহল ও এলাকার গন্যমান্য বেক্তিবর্গের খতিয়ে দেখে আইন অনুযায়ী ব্যবস্হা নেয়া প্রয়োজন।