12:57 am, Monday, 26 October 2026

শত বছরের ঐতিহ্যের সাক্ষী বিনয় ডাক্তারের বাড়ি, অযত্নে হারিয়ে যেতে বসেছে ইতিহাস

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার ৮ নং আটাবর ইউনিয়নের ২ নম্বর শেওরাতলী গ্রামের শত বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক বিনয় ডাক্তারের বাড়ি আজও কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। দীর্ঘদিনের ইতিহাস ও ঐতিহ্য বহন করে চলা এই বাড়িটি বর্তমানে অযত্ন-অবহেলায় জীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, একসময় এই বাড়িটি ছিল এলাকার পরিচিত ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোর একটি। সময়ের পরিক্রমায় বাড়িটির চারপাশে গাছপালা ও লতাগুল্মে এমনভাবে ঢেকে গেছে যে, দূর থেকে দেখলে বোঝার উপায় নেই—এটি একটি শত বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক স্থাপনা।
বর্তমানে বাড়িটিতে বসবাসকারী পরিবারটি অত্যন্ত দরিদ্র। নিত্যদিনের জীবনযাপন করতেই যেখানে তাদের হিমশিম খেতে হয়, সেখানে পুরোনো বাড়িটি সংস্কার বা সংরক্ষণ করার মতো আর্থিক সামর্থ্য তাদের নেই। ফলে দিনের পর দিন সংস্কারের অভাবে স্থাপনাটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হলে এই পুরোনো বাড়িটি সংরক্ষণ করে এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে টিকিয়ে রাখা সম্ভব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে শত বছরের পুরোনো স্থাপনাটির ইতিহাস তুলে ধরতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
স্থানীয়দের পক্ষ থেকে প্রশাসনের প্রতি দাবি, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে ঐতিহাসিক স্থাপনাটি সংরক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলে হারিয়ে যেতে বসা একটি শত বছরের ঐতিহ্য রক্ষা পাবে।
কালের সাক্ষী এই বাড়িটি যেন অযত্নে হারিয়ে না যায়—এখনই প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও ঐতিহ্যপ্রেমী মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ঈশ্বরদীতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জমি দখলের চেষ্টা

শত বছরের ঐতিহ্যের সাক্ষী বিনয় ডাক্তারের বাড়ি, অযত্নে হারিয়ে যেতে বসেছে ইতিহাস

Update Time : 07:07:33 pm, Thursday, 8 October 2026

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার ৮ নং আটাবর ইউনিয়নের ২ নম্বর শেওরাতলী গ্রামের শত বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক বিনয় ডাক্তারের বাড়ি আজও কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। দীর্ঘদিনের ইতিহাস ও ঐতিহ্য বহন করে চলা এই বাড়িটি বর্তমানে অযত্ন-অবহেলায় জীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, একসময় এই বাড়িটি ছিল এলাকার পরিচিত ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোর একটি। সময়ের পরিক্রমায় বাড়িটির চারপাশে গাছপালা ও লতাগুল্মে এমনভাবে ঢেকে গেছে যে, দূর থেকে দেখলে বোঝার উপায় নেই—এটি একটি শত বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক স্থাপনা।
বর্তমানে বাড়িটিতে বসবাসকারী পরিবারটি অত্যন্ত দরিদ্র। নিত্যদিনের জীবনযাপন করতেই যেখানে তাদের হিমশিম খেতে হয়, সেখানে পুরোনো বাড়িটি সংস্কার বা সংরক্ষণ করার মতো আর্থিক সামর্থ্য তাদের নেই। ফলে দিনের পর দিন সংস্কারের অভাবে স্থাপনাটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হলে এই পুরোনো বাড়িটি সংরক্ষণ করে এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে টিকিয়ে রাখা সম্ভব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে শত বছরের পুরোনো স্থাপনাটির ইতিহাস তুলে ধরতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
স্থানীয়দের পক্ষ থেকে প্রশাসনের প্রতি দাবি, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে ঐতিহাসিক স্থাপনাটি সংরক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলে হারিয়ে যেতে বসা একটি শত বছরের ঐতিহ্য রক্ষা পাবে।
কালের সাক্ষী এই বাড়িটি যেন অযত্নে হারিয়ে না যায়—এখনই প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও ঐতিহ্যপ্রেমী মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ।