
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী জুনাইদ আবছার চৌধুরীর বিরুদ্ধে অসদাচরণ, ঠিকাদারদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা, দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং বিভিন্ন উন্নয়নকাজে কালক্ষেপণের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের পরও তিনি স্বপদে বহাল থাকায় স্থানীয় ঠিকাদার ও সাংবাদিকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৬ নভেম্বর চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা থেকে বদলি হয়ে ফটিকছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন জুনাইদ আবছার চৌধুরী। তাঁর যোগদানের কয়েক মাসের মধ্যে স্থানীয় এক ঠিকাদারের সঙ্গে কথাকাটাকাটির ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রামের প্রকৌশল বিভাগের একটি কার্যালয় থেকে ভিডিও কলের মাধ্যমে ওই ঠিকাদারকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগও সামনে আসে। এর কিছুদিন পর আরও একজনের সঙ্গে তাঁর বাকবিতণ্ডায় জড়ানোর অভিযোগ ওঠে।
এদিকে, দাপ্তরিক সময়ে দেরিতে অফিসে আসা এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই কার্যালয় ত্যাগ করার অভিযোগ নিয়ে এর আগে দৈনিক একুশে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল বলে জানা গেছে। কিন্তু এসব অভিযোগের বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয় মহলে আলোচনা রয়েছে।
শুধু আচরণগত অভিযোগই নয়, তাঁর পূর্ববর্তী কর্মস্থলেও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ছিল বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট কয়েকজন। এমনকি গভীর রাতে অফিস কিংবা বাসায় ঘুষ লেনদেনের অভিযোগও শোনা যাচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই বিষয়গুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
ফটিকছড়ি প্রতিনিধি 
























