
ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার কলমা এলাকায় ড্রাগ লাইসেন্স ও ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ‘মা-বাবার আশীর্বাদ’ নামে একটি ফার্মেসি পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে শিতল কুমার সরদার (৪৬) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সরেজমিনে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্সসংক্রান্ত বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে কোনো ড্রাগ লাইসেন্স বা ট্রেড লাইসেন্সের তথ্য পাননি বলে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিতল কুমার সরদারও তাঁর প্রতিষ্ঠানের ড্রাগ লাইসেন্স ও ট্রেড লাইসেন্স নেই বলে জানিয়েছেন।
কলমা-১ এলাকার ওয়াহেদ আলী মার্কেটে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শিতল কুমার সরদার, পিতা মৃত কুমুদ রঞ্জন সরদার। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই প্রতিষ্ঠানটিতে ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করে রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, প্রতিষ্ঠানটিতে নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে।
প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়া ওষুধের ব্যবসা পরিচালনা জনস্বাস্থ্য ও ওষুধের নিরাপদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে উদ্বেগ তৈরি করে। একইভাবে, যথাযথ পেশাগত যোগ্যতা ও নিবন্ধন ছাড়া চিকিৎসাসেবা দেওয়া হলে রোগীরা ভুল চিকিৎসার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।
এ অবস্থায় ‘মা-বাবার আশীর্বাদ’ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম, ওষুধ বিক্রির বৈধতা এবং শিতল কুমার সরদারের চিকিৎসাবিষয়ক যোগ্যতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা।
তাঁরা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাঁদের দাবি, সরেজমিন তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
আক্তার হোসেন স্টাফ রিপোর্টার 






















