11:37 pm, Sunday, 25 October 2026

চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা না থাকলেও আসামি করার দাবি; সুষ্ঠু তদন্ত ও হয়রানি বন্ধের দাবি

চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় সাধারণ মানুষকে হয়রানি করতে মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও মোহিদুল নামে এক ব্যক্তিকে মামলায় আসামি করে হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি ওই মামলায় কারাগারে রয়েছেন। এ ঘটনায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। একই সঙ্গে মামলা গ্রহণের আগে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাই এবং নিরীহ মানুষকে হয়রানি বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহলের অনেকে।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত না থাকলেও তাকে কোনো মামলায় আসামি করা হলে তার পরিবারকে সামাজিক, আর্থিক ও মানসিকভাবে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে মামলা হলে প্রকৃত অপরাধী শনাক্তকরণও বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করেন তারা।

ভুক্তভোগী মোহিদুলের অভিযোগ, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এবং কোনো দলের পদ-পদবিতেও নেই। এরপরও তাকে একটি মামলায় আসামি করে হয়রানি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কারাগারে থাকায় তার পরিবারও উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে বলে জানান তিনি।

মোহিদুল বলেন, “আমি কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নই। আমার কোনো দলের পদ-পদবি নেই। তারপরও আমাকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করা হয়েছে। আমি এই মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।”

অভিযোগের বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মারুফ রহমান বলেন, “আমার জানা মতে, আমার থানায় কোনো ধরনের হয়রানিমূলক মামলা করা হয় না। যদি কোনো ব্যক্তি এর যথাযথ প্রমাণ দিতে পারেন অথবা এই ধরনের মিথ্যা মামলার সঙ্গে আমার থানার কোনো কর্মকর্তা জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে আমি তার সুষ্ঠু বিচার দেব।”

তিনি আরও জানান, অভিযোগের যথাযথ প্রমাণ পাওয়া গেলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।

ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে মামলাটির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে মামলা করার ক্ষেত্রে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাই, তদন্ত প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং নিরীহ ব্যক্তিদের হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অভিযোগটি সত্য না মিথ্যা—তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। তাই তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

মোহিদুলের দাবি, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ঈশ্বরদীতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জমি দখলের চেষ্টা

চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা না থাকলেও আসামি করার দাবি; সুষ্ঠু তদন্ত ও হয়রানি বন্ধের দাবি

Update Time : 08:07:40 pm, Thursday, 1 October 2026

চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় সাধারণ মানুষকে হয়রানি করতে মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও মোহিদুল নামে এক ব্যক্তিকে মামলায় আসামি করে হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি ওই মামলায় কারাগারে রয়েছেন। এ ঘটনায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। একই সঙ্গে মামলা গ্রহণের আগে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাই এবং নিরীহ মানুষকে হয়রানি বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহলের অনেকে।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত না থাকলেও তাকে কোনো মামলায় আসামি করা হলে তার পরিবারকে সামাজিক, আর্থিক ও মানসিকভাবে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে মামলা হলে প্রকৃত অপরাধী শনাক্তকরণও বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করেন তারা।

ভুক্তভোগী মোহিদুলের অভিযোগ, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এবং কোনো দলের পদ-পদবিতেও নেই। এরপরও তাকে একটি মামলায় আসামি করে হয়রানি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কারাগারে থাকায় তার পরিবারও উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে বলে জানান তিনি।

মোহিদুল বলেন, “আমি কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নই। আমার কোনো দলের পদ-পদবি নেই। তারপরও আমাকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করা হয়েছে। আমি এই মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।”

অভিযোগের বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মারুফ রহমান বলেন, “আমার জানা মতে, আমার থানায় কোনো ধরনের হয়রানিমূলক মামলা করা হয় না। যদি কোনো ব্যক্তি এর যথাযথ প্রমাণ দিতে পারেন অথবা এই ধরনের মিথ্যা মামলার সঙ্গে আমার থানার কোনো কর্মকর্তা জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে আমি তার সুষ্ঠু বিচার দেব।”

তিনি আরও জানান, অভিযোগের যথাযথ প্রমাণ পাওয়া গেলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।

ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে মামলাটির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে মামলা করার ক্ষেত্রে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাই, তদন্ত প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং নিরীহ ব্যক্তিদের হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অভিযোগটি সত্য না মিথ্যা—তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। তাই তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

মোহিদুলের দাবি, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।