
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা সুন্দরপুর ও হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম হালদা নদীর কেয়া পারাপার।
ফটিকছড়ি উপজেলা সুন্দরপুর ইউনিয়ন ও ভুজপুর থানার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের লোকজন ও তৌহিদুল আনোয়ার উচ্চ বিদ্যালের ছাত্র ছাত্রী ও ফটিকছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের হালদা নদীর কেয়া পারাপার।
ফটিকছড়ি বিবিরহাট বাজারে ২নং সড়ক যা আলী আকবর সড়ক নামে পরিচিত। বিবিরহাট বাজার থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার পশ্চিমে হাঁড়িঘাটা নামে পরিচিত হালদা নদীর উপর নির্মিত হয়েছে কাঠের সাঁকো। বর্ষার মৌসুমে হালদা নদীতে সাঁকোর পরিবর্তে পারাপারের একমাত্র মাধ্যম কেয়া বা রশিটানা নৌকা, যা দূর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে। কাঠের সাঁকো বা কেয়া নৌকা পারি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ পারাপার হচ্ছে। হারুয়ালছড়ি তৌহিদুল আনোয়ার উচ্চ বিদ্যালের প্রায় ২০০-২৫০ জন ছাত্র ছাত্রী জীবন ঝুঁকি নিয়ে হালদা নদী পার হয়ে বিদ্যালয়ে যাচ্ছে। আবার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের পাটিয়ালছড়ি এলাকা থেকে সুন্দরপুর ইউনিয়নের পশ্চিম সুন্দরপুর নুরানি মাদ্রাসার ছোট ছোট কচিকাঁচা ছাত্র ছাত্রীর ও লেখা পড়া করার জন্য আসা যাওয়া করছে যাদের বয়স ৪-৭ বছর। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সরকারের আমলে হাঁড়িঘাটা একটা বেইলি ব্রীজ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ও তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। গত ২০২৪ সালের তৎকালীন সরকারের এমপি খাদিজাতুল আনোয়ার সনি ও ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকোটি পরিদর্শন করে একটি বেইলি ব্রীজ নির্মাণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কিন্তু কাজ করা সম্ভব হয়নি।
তার পর তৎকালীন ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী হাড়িঁঘাটা ঝুকিপূর্ণ ব্রীজটি পরিদর্শন করে ১৪/৫/২০২৫ সালে জেলা প্রাশাসক সম্মেলন '২৫ সভায় হালদা নদীর উপর ৬টি বেইলি ব্রীজ নির্মাণের দাবি জানান এবং সভায় কার্যবিবরণীতে বেইলি ব্রীজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৃহত্তর ফটিকছড়ি উপজেলা জনবহুল, (৭৭৩ বর্গকিমি) ১৮ টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা। যোগাযোগের ব্যবস্হা উন্নয়ন বেইলি ব্রীজে নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়। বিশাল উপজেলার মধ্যদিয় প্রবাহিত হয়েছে হালদা নদী। ফটিকছড়ি উপজেলা জনবহুল উপজেলা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রধান প্রধান সড়কের হালদার উপর ব্রীজ না থাকায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও অন্য উপজেলার সাথে যোগাযোগ ব্যাহত হয়ে পরেছে। বিভিন্ন সড়ক ব্যবহার নিমিত্তে হয়ে পরেছে বলে উল্লেখ করেন।
তমধ্যে ২নং প্রস্তাবিত বেইলি ব্রীজ, বিবিরহাট জিসি টু হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের আমান বাজার ভাইয়া সুন্দরপুর ইউনিয়নের (হাড়িঁঘাটা) বেইলিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এই বেইলি ব্রীজটি ১৬ মাস অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত বেইলি ব্রীজটি নির্মাণের কোন উদ্যোগ না নেয়া জনগণের ভোগান্তির শেষ নেই, তা ছাড়া ছাত্র ছাত্রী নিরাপদে হালদা পারাপারের কোনো ব্যবস্হা ও না নেওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লেখা পড়া করতে হচ্ছে। তৌহিদুল আনোয়ার উচ্চ বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীদের সাথে কথা বলে জানা যায় বর্ষার মৌসুমে তারা জীবন ঝুঁকি নিয়ে হালদা নদী কেয়া পারাপার কবে বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে। তারা যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনে দূর্ঘটনার ঘটতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নাসির উদ্দিন সিকদার
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোঃ ফজলুল হক
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : লোকমান হোসেন
বার্তা সম্পাদক : মোঃ আল মাহমুদ
মফস্বল সম্পাদক : তাহমিনা সুলতানা
প্রধান কার্যালয় : ৮৪/৬ নয়া পল্টন ১০০০
Email:sobujbiplob625@gmail.com
phone:০১৯১১-১৪২০৯১
দুঃখিত আপনি এই সাইট থেকে কন্টেন কপি করতে পারবেন না। দৈনিক সবুজ বিপ্লব ওয়েব সাইট থেকে কন্টেন কপি করা আইনানুক অপরাধ। ধন্যবাদ