বাথরুমের গ্রিল কেটে কারখানায় প্রবেশ, নেই সিসিটিভি ফুটেজ; তদন্তে পুলিশ
ঢাকার ধামরাইয়ে চীনা মালিকানাধীন একটি ব্যাটারি কারখানায় এক চীনা কর্মকর্তাকে রশি দিয়ে বেঁধে লকার থেকে ৭০ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। মুখোশ পরা অন্তত তিনজন দুর্বৃত্ত বাথরুমের জানালার গ্রিল কেটে কারখানায় প্রবেশ করে ছুরি দেখিয়ে ওই কর্মকর্তার কাছ থেকে লকারের চাবি নেয় বলে দাবি করেছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টা থেকে রাত ১২টার পরের কোনো একসময় উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের বেলিশ্বর এলাকার ‘জিয়াংশু স্টোরেজ ব্যাটারি বিডি কোং লিমিটেড’ কারখানায় এ ঘটনা ঘটে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
কারখানা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, রাতের দিকে চীনা নাগরিক ও কারখানার ইনচার্জ-ক্যাশিয়ার লি পেংগুই নিজের কক্ষে ছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা কারখানার পেছনের বাথরুমের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তার কক্ষে গিয়ে গলায় ছুরি ধরে লকারের চাবি দাবি করে। চাবি নেওয়ার পর তার হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে লকার থেকে নগদ ৭০ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
লি পেংগুই বলেন, “আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে বাথরুমের জানালা দিয়ে তারা ভেতরে ঢোকে। প্রথমে আমার গলায় ছুরি ধরে চাবি দিতে বলে। এরপর চাবি নিয়ে লকার থেকে টাকা নিয়ে চলে যায়। তাদের মুখে মাস্ক ছিল। যাওয়ার সময় আমার হাত-পা বেঁধে রেখে যায়।”
কারখানার ম্যানেজার বলেন, “রাত ১২টার দিকে বাথরুমের গ্রিল কেটে তারা কারখানায় প্রবেশ করে। চীনা কর্মকর্তার হাত-পা বেঁধে গলায় ছুরি ধরে লকার খুলে ৭০ লাখ টাকা নিয়ে যায়। কারখানার পেছনের ওই অংশে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না।”
ঘটনার পর রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ধামরাই থানা পুলিশ কারখানায় গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পুলিশ কারখানার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছে।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, “রাত ১২টার পর সুতিপাড়া ইউনিয়নের বেলিশ্বর এলাকায় একটি ব্যাটারি কারখানার দোতলায় তিনজন দুর্বৃত্ত ঢুকে এক চীনা নাগরিককে বেঁধে লকার থেকে টাকা নিয়ে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী লকারে ৭০ লাখ টাকা ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত এবং লুণ্ঠিত টাকা উদ্ধারে পুলিশের অভিযান চলছে।”
পুলিশ বলছে, লকারে প্রকৃতপক্ষে কত টাকা ছিল এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কারখানার নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সিসিটিভি না থাকার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নাসির উদ্দিন সিকদার
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোঃ ফজলুল হক
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : লোকমান হোসেন
বার্তা সম্পাদক : মোঃ আল মাহমুদ
মফস্বল সম্পাদক : তাহমিনা সুলতানা
প্রধান কার্যালয় : ৮৪/৬ নয়া পল্টন ১০০০
Email:sobujbiplob625@gmail.com
দুঃখিত আপনি এই সাইট থেকে কন্টেন কপি করতে পারবেন না। দৈনিক সবুজ বিপ্লব ওয়েব সাইট থেকে কন্টেন কপি করা আইনানুক অপরাধ। ধন্যবাদ